ইয়েমেনে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে তাদের সামরিক কার্যক্রম কিছুটা কমিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছে সৌদি আরব। সৌদি আরবের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। খবর বিবিসির।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ আল-আসিরি রিয়াদে বলেছেন, প্রায় বছরখানেক ধরে চলমান এই প্রচারণা অনেকটাই শেষ দিকে এসে পৌঁছেছে। মার্কিন সমর্থনপুষ্ট সৌদি নেত্বৃতাধীন সন্ত্রাস-বিরোধী জোট, ইয়েমেনের সরকারের সমর্থনে দেশটির বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে প্রায় বছরখানেক ধরে সামরিক অভিযান চালায়। এখন খানিকটা পিছিয়ে আসার ইঙ্গিত দিলো।
তবে সৌদি সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেছেন, এই জোট ইয়েমেনের সেনাবাহিনীকে আকাশ পথে যে সহায়তা দিয়ে আসছিলো তা অব্যাহত রাখবে।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জোসে আর্নেস্ট বলেছেন, ইয়েমেনের এই সংকটের রাজনৈতিক একটা সমাধান তারা চান। মি. আর্নেস্ট বলেছেন, বড় বড় অভিযানের পর্ব শেষ করে, ইয়েমেনে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার জন্য, সৌদি জোট এখন দীর্ঘস্থায়ী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটিকে আমরা স্বাগত জানাই।
যুক্তরাষ্ট্র অনেকদিন ধরেই বলে আসছিল যে, একটি রাজনৈতিক সমাধান ইয়েমেনের জন্য অতীব জরুরি এবং যত দ্রুত সম্ভব তা হওয়া দরকার।
সৌদি জোট বড় বড় সামরিক অভিযান চালানোর ক্ষেত্রে সাময়িক ইতি টানার যে ঘোষণা দিয়েছে তা সমালোচনারও জন্ম দিয়েছে।
গত সপ্তাহেই মঙ্গলবারে একটি বাজারে সৌদি জোটের হামলায় শ’খানেকের বেশি মানুষ নিহত হবার কয়েকদিনের মধ্যেই তাদের এ ঘোষণা এলো।
ইয়েমেনের নির্বাসিত প্রেসিডেন্ট আব্দরাব্বুহ মানসুর হাদীর সমর্থক হুতি গোষ্ঠী বহুদিন ধরে লড়াই করে যাচ্ছে।
