বিক্ষিপ্ত ঘটনায় দোহার ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন

আপডেট : ২২ মার্চ ২০১৬, ২১:৪০
কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া ঢাকার দোহার উপজেলার কুসুমহাটি, নয়াবাড়ি, মুকসুদপুর, নারিশা এবং বিলাশপুর ইউনিয়নের ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে । 
 
মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে।  নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ২, স্বতন্ত্র থেকে ৩ জন প্রার্থী বেসরকারি ভাবে জয়ী হয়েছেন।কুসুমহাটি ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রহমান পান্নু এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াহাব দোহারী বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জন করেন। এর ফলে ঐ ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের প্রার্থী আমজাত হোসেন আজাদ নৌকা প্রতীক নিয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হন। মুকসুদপুর ইউনিয়নে নির্বাচনের ৫ দিন আগে বিএনপির প্রার্থী মো. আব্দুল হালিম তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করায় এই ইউনিয়নেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী অধ্যাপক এমএ হান্নান নৌকা প্রতীক নিয়ে আগে ভাগেই বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নয়াবাড়ি ইউনিয়নে বিএনপির কোন প্রার্থী না থাকায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান  চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ হান্নান সরকার দলীয় প্রার্থী বজলুর রহমান কামাল এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবুল হোসেন ভুইয়াকে পরাজিত করে পুনরায় বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হন। 
 
নারিশা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আউলাদ হোসেন নৌকা প্রতীক, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. লুৎফর রহমান এবং বিদ্রোহী আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. আবুল কালামকে পরাজিত করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সালাউদ্দিন দরানী আনারস প্রতীক নিয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।বিলাশপুর ইউনিয়নে বড় দুই দলের প্রার্থীকে পরাজিত করে বর্তমান  চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আলাউদ্দিন মোল্লা পুনরায় বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হন। এখানে বাকী দুই প্রার্থী হলেন-  সরকার দলীয় মনোনীত প্রার্থী হুকুম আলী চোকদার এবং বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আব্দুল সামাদ বেপারী। 
 
মঙ্গলবার দুপুরের দিকে কুসুমহাটি ইউনিয়নে বাস্তা মাদ্রাসা কেন্দ্রে,শিলাকোঠা মাদ্রাসা কেন্দ্র, আওলিয়াবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কিছু কেন্দ্রে বহিরাগতদের ভোট দিতে দেখা গেছে। যাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির খবর পাওয়া গেছে।