জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসবাদের কারণে সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি বিমার আওতায় আনতে হবে। কীভাবে আনা যায় তা নিয়ে বিমা কোম্পানি ও বিশেষজ্ঞদের ভাবতে বলেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিমা মেলার সমাপনী দিনে ‘এক্সপেক্টেশন, অ্যাসিভমেন্টস অ্যান্ড প্রোসপেক্টাস অব নন লাইফ ইন্স্যুরেন্স’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।
‘নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য বিমা’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে গত বুধবার থেকে ৩ দিনব্যাপী বিমা মেলা-২০১৬ শুরু হয়, যা শুক্রবার শেষ হয়। দেশে প্রথমবারের মতো বিমা মেলার আয়োজন করেছে বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, কিছুদিন আগে দেশে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জ্বালাও-পোড়াও এবং গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে, যার ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছে সরকারকে। তাই জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসবাদের ক্ষয়ক্ষতিকে কিভাবে বিমার আওতায় আনা যায় তা এখনই ভাবতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ কত ধরনের বিমার আওতায় আসতে পারেন, এ মেলার মাধ্যমে তা জানতে পারবেন। বিমা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে এ ধরনের মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ ছাড়াও অর্থনীতির চাকাকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে বিমার বিকল্প নেই। ইনু বলেন, এ সরকার বিমা আইন প্রণয়ন করেছে। এতে বিমা কোম্পানি শৃঙ্খলায় ফিরে আসছে, যা গ্রাহকদের মধ্যে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ফেরাতে সহযোগিতা করছে।
বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান মো. শেফাক আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ জেনারেল ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের উপদেষ্টা এ কে আজিজুল হক চৌধুরী। এতে বিমা কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন । ফোকাস বাংলা।
