স্বাধীনতা দিবসে জাপান বিএনপি ও আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা

আপডেট : ২৮ মার্চ ২০১৬, ১৯:২৪
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাপান বিএনপি ও জাপান আওয়ামীলীগ এর উদ্যোগে পৃথক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার জাপানের রাজধানী টোকিওর বিভিন্ন জায়গায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
 
রবিবার  ৪৫তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে টোকিওর হিগাসী তাবাতা ছিকি সিনকুসিটছু অডিটোরিয়ামে জাপান আওয়ামী লীগের সভাপতি সালেহ মোহাম্মদ আরিফের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আসলাম হিরার পরিচালনায় স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা করে জাপান আওয়ামী লীগ। এতে কাজী ইনসান, হারুনুর রশিদ, সোহেল রানা, রাসেল মাঝি, লিপু, মোতালেব সাহা প্রিন্স, সনাৎ বড়ুয়া, আবদুর রাজ্জাকসহ আরো অনেকে বক্তব্য দেন।
 
বক্তারা বলেন, স্বাধীনতা মানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যারা অবদানের ফলেই আজ আমরা স্বাধীন বাংলাদশে পেয়েছি। এ সময় অনেকেই বিএনপির সমালোচনা  করেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমালোচনা করে তারা বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন ৭১ এ পাকিস্থানের চর। তিনি কখনোই মুক্তিযোদ্ধা হতে পারেন না। সভাপতির বক্তব্যে সালেহ মোহাম্মদ আরিফ বলেন, আজ স্বাধীনতার এতগুলো বছর পার করে এসেও আমাদের দেশ বিরোধী কার্যক্রম দেখতে হচ্ছে। যা আমাদের জন্য অনেক লজ্জাজনক।
 
তিনি সকল দেশপ্রেমিকদের একই ছাতার নিচে এসে দেশদ্রোহীদের দমন করারও পরামর্শ দেন।
 
অন্যদিকে জাপান বিএনপির উদ্যোগে টোকিওর ওজি হোকতোপিয়া অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভার আয়োজন করে জাপান বিএনপি। জাপান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং  সহ সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন মিঠুর পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জাপান বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মীর রেজাউল করিম রেজা, কাজী এনামুল হক, এমদাদ মনির, নজরুল ইসলাম রনি, শেখ আনোয়ার হোসেন,  দেলোয়ার হোসেন, ফয়সাল সালাহউদদীন, মো. জসীমউদ্দীনসহ আরো অনেকে।
 
আলোচনা সভায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কাজী ইনসানুল হক,আশরাফুল ইসলাম শেলী, লেখক জুয়েল আহাসান কামরুল, হোসাইন মুনীর।বক্তারা বলেন, আমরা এমন এক সময় স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছি ,যখন বাংলাদেশে গনতন্ত্র নেই। মানুষের কোন নিরাপত্তা নেই, মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে, দেশের অর্থনীতি ব্যবস্থাকে লুটের মধ্য দিয়ে ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে।
 
সকলকে বিভেদ ভুলে গণতন্ত্র ও জনগনের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে জনগন, রাজনৈতিক দল এবং গনতন্ত্র প্রেমীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবানও জানানো হয় আলোচনা সভায়।
সভাপতির বক্তব্যে মোফাজ্জল হোসেন বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবার জন্য খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সকল পেশা শ্রেনীর মানুষকে আন্দোলনে শরীক হওয়ার আহবান জানান।