আমি একজন সিনিয়র শিল্পী হিসেবে বলতে চাই, সবাইকে একসঙ্গে বসে এই সমস্যার সমাধান বের করতে হবে। সরকারি তহবিলে যে টাকাটা যায় ভ্যাটের মাধ্যমে, এই ভ্যাটের টাকা প্রযোজকের দিতে হয়। এই ভ্যাটের স্লিপ কিন্তু হল মালিকের দিতে হবে প্রযোজককে। ক’জন হল মালিক এই ভ্যাটের স্লিপ দেখিয়েছেন?
একজন হল মালিকের উচিত পরিচালকের কাছে আসা। বলা উচিত, ‘ভাই, আপনি ছবি বানিয়েছেন। এটি আমার হলে চালাবো।’ ব্যবসাটা দু’জনের পারস্পরিক কথাবার্তা অনুযায়ী হবে। কিন্তু দেখা যায়, এখানে একটা গ্রুপকে তারা পাঠিয়ে দেন। প্রতিটি বুকিংয়ে তাদের প্রযোজককে দিতে হবে ১০ হাজার টাকা করে। এটা কেন? আমার কাছে মনে হয়, হল মালিকরা যদি চলচ্চিত্রের শুভাকাঙ্ক্ষি হন তাহলে আসুন, সবাই মিলে বসি। এখানে ঢাকার, মফস্বলের হল মালিক ভাইয়েরা আছেন। তারা কিন্তু এক সময় প্রযোজক ছিলেন। তারা ছবি প্রযোজনা করেন না কেন? এটা আমার প্রশ্ন। বঙ্গবন্ধু চলচ্চিত্রকে ভালোবাসতেন, প্রধানমন্ত্রীও ভালোবাসেন। সরকারের প্রতি আমি বিশ্বাস রাখি, এই সময়ে তারা সাহায্য করবেনই।
হল মালিকদের হল বন্ধ করে দেওয়া প্রসঙ্গে
চলচ্চিত্রের গুণী অভিনেতা আলমগীর
