ইত্তেফাক ডেস্ক
সড়ক দুর্ঘটনায় পাবনার ফরিদপুরে সাবেক ইউপি সদস্য ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় সড়ক দুর্ঘটনায় গাড়ি চালক নিহত এবং বরগুনার আমতলীতে ২০ জন আহত হয়েছে। ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর:
ফরিদপুর (পাবনা):শনিবার ফরিদপুরে ব্যাটারিচালিত একটি অটোভ্যান উল্টে সাবেক ইউপি সদস্য নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন। নিহতের নাম মোবারক হোসেন(৭৬)।
ওইদিন একটি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যান ফরিদপুর থেকে ভাঙ্গুড়া যাচ্ছিল। এ সময় বেড়হাউলিয়া বাজারের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে উপজেলার খাগরবাড়ীয়া গ্রামের মৃত রহিম উদ্দিনের ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য মোবারক হোসেন মারাত্মক আহত হন। তাকে প্রথমে ভাঙ্গুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি মারা যান।
কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া):কসবা উপজেলার কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের সৈয়দাবাদ নামক এলাকায় গতকাল শনিবার ভোরে ঢাকা-রাঙ্গামাটিগামী শ্যামলী পরিবহন (ঢাকা মেট্রো-ব ১৪-৩১০৫) ও চট্টগ্রাম-ব্রাহ্মণবাড়িয়াগামী সুখি পরিবহনের (ঢাকা-জ ৩৬৫২) মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সুখি পরিবহনের চালক গুরুতর আহত হয়। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। নিহত চালকের নাম মো. নুরু মিয়া। তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর। এছাড়া দুই পরিবহনের যাত্রীদের কোনো প্রকার ক্ষতি হয়নি বলে জানা যায়। রাঙ্গামাটিগামী শ্যামলী পরিবহনের চালক পালিয়ে যায়। শ্যামলী পরিবহনের যাত্রীরা সদ্য সমাপ্ত গাজিপুরে ১০ম বাংলাদেশ ও ৩য় সানসৌ স্কাউট জাম্বুরী থেকে ফিরছিল। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে জ্যাম থাকায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে রাঙামাটি ফিরছিল স্কাউট শিক্ষার্থীরা। তারা সবাই অক্ষত আছে বলে জানান শিক্ষক বিজন কুমার দে ও ওসমান গনি।
আমতলী (বরগুনা):আমতলী-পটুয়াখালী মহাসড়কের ঘঠখালী নামক স্থানের চাওরা ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের সামনে শনিবার সকাল ৭টায় সাকুরা পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১১-৮৫৬৭) দুর্ঘটনায় বাসে থাকা ২০ জন যাত্রী আহত হয়। আহতদেরকে আমতলী হাসপাতালে চিকিত্সা দেওয়া হয়। মুমূর্ষু অবস্থায় ৪ জনকে উন্নত চিকিত্সার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যরা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিত্সা নিয়েছেন। বাসটি শুক্রবার রাতে ঢাকার গাবতলী থেকে কুয়াকাটার উদ্দেশে ছেড়ে আসে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বাসে থাকা আহত কয়েকজন যাত্রী জানান, চালক বেপরোয়াভাবে বাসটি চালিয়ে আসছিল। এসময় ঘটখালী নামক স্থানের একটি গতিরোধক দ্রুতগতিতে পার হওয়ার কারণে বাসটি চালকের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এসময় বাসটির মধ্যে ৫০-৬০ জন যাত্রী ছিল। পরে ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশের সহায়তায় বাসের মধ্যে আটকে পড়া যাত্রীদের দ্রুত উদ্ধার করে আমতলী হাসপাতালে আনা হয়। আহতদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
