ইচ্ছে ছিল গ্রামের বাড়ি নাগেশ্বরী উপজেলার মধুরহাইল্যায় বাবা জামাল উদ্দিন সরকারের কবরের পাশে শায়িত হবেন ড. আব্দুস সামাদ। সেজন্য নির্দিষ্ট করে রাখা হয়েছিল জায়গাও। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস এখন তার দাফন হচ্ছে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মুসলিমদের জন্য নির্ধারিত কবরস্থানে। গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় বসবাসরত তার বড় ছেলে তোহান মোহাম্মদ জানিয়েছেন এ তথ্য।
তিনি জানান, নিউজিল্যান্ডের স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় তার বাবার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এজন্য সকাল ৮টায় পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডেকেছে তাদের। নিউজিল্যান্ডে বসবাসরত তার মা কেশোয়ারা সুলতানা ও ছোট দুই ভাই তারেক, তানভিরের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন তিনি।
অপরদিকে শোকাহত ভাই মতিয়ার রহমান, শামসুদ্দিনসহ পরিবারের সকলেই আশা করেছিল অন্তত ভাইয়ের লাশ এদেশে এলে তারা শেষবারের মত দেখতে পারতো। তারা চেয়েছিল ভাইয়ের ইচ্ছেমত বাবার কবরের পাশে তার দাফন হবে। কিন্তু তা না হওয়ার এ বেদনা তাদের সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হবে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের স্থানীয় সময় বেলা দেড়টায় ক্রাইস্টচার্চ শহরের হ্যাগলি পার্ক মুখী সড়ক দীন এভিনিউতে ‘মসজিদে নুর’ ও ‘লিংউড’ মসজিদ দুইটিতে হামলা চালায় অজ্ঞাত বন্ধুকধারীরা। এতে অন্য বাংলাদেশিদের সঙ্গে নিহত হন নিউজিল্যান্ডে নাগরিকত্ব নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করা বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি তত্ত্ব বিভাগের সাবেক শিক্ষক ও ক্রাইস্টচার্চ শহরের হ্যাগলি পার্ক মুখী সড়ক দীন এভিনিউতে ‘মসজিদে নুর’-এর মোয়াজ্জিন ড. আব্দুস সামাদ।
