বিদ্যুত্ ও জ্বালানি খাতে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সহযোগিতার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। পারস্পরিক অংশীদারিত্ব দুই দেশের জনগণকে উপকৃত করবে; কিন্তু দুই দেশেরই রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ে ইতিবাচক মনোভাবের অভাবে আঞ্চলিক জ্বালানি সহায়তা কার্যকর হচ্ছে না।
গতকাল শনিবার রাজধানীতে জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ-ভারত জ্বালানি সহায়তা: সমস্যা ও প্রবণতা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন। বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশন ও জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
বক্তারা বলেন, এশীয় অঞ্চলে সাশ্রয়ী, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই জ্বালানি নিশ্চিত করতে ভারত ও চীন বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। দক্ষিণ এশীয় দেশগুলো সহজেই এক দেশ থেকে আরেক দেশে বিদ্যুত্ আমদানি-রপ্তানি করতে পারে; কিন্তু আস্থার অভাবে তা হচ্ছে না। জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে ভাবতে হচ্ছে সরকারগুলোকে।
সাবেক কূটনীতিক ওয়ালিউর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভারতের জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক এসডি মুনি, বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক ভারতীয় রাষ্ট্রদূত মুকুন্দ দুবে, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ম তামিম, বুয়েটের অধ্যাপক ইজাজ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বদরুল ইমাম, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ খন্দকার আবদুস সালেক প্রমুখ।
