চট্টগ্রামের বাঁশখালীর গণ্ডামারায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপন নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় কেউ ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার কথা চেষ্টা করলে তাদের চিহ্নিত করে শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বিদ্যুত্কেন্দ্র স্থাপন নিয়ে গুলিতে চারজনের প্রাণহানি এবং ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাজিম উদ্দিন সামাদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে কথা বলতে চান না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শনিবার চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন উদ্বোধন করতে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। উদ্বোধনের আগে স্থানীয় সংসদ সংসদ্য মাঈনুদ্দিন খান বাদলের বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন।
বাঁশখালীতে গুলিতে চারজনের প্রাণহানির ঘটনা বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ প্রসঙ্গে কথা বলতে চাই না আমি। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন বিদ্যুতমন্ত্রী। আর প্রধানমন্ত্রীর যদি কিছু বলার থাকে, তিনি বলবেন। এখানে পক্ষ-বিপক্ষের লোক রয়েছে বলে শুনেছি। বাঁশখালীতে অত্যাধুনিক বিদ্যুত্কেন্দ্র হতে যাচ্ছিল। এটা নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। পক্ষেও বলছে, বিপক্ষেও বলছে।
আসাদুজ্জামান খান কামাল এ বিষয়ে আরও বলেন, এই গোলাগুলি কে করেছে, কার প্ররোচনায়, কার মাধ্যমে, কার ইঙ্গিতে হয়েছে, কার কী স্বার্থ ছিল, আমি মনে করি এগুলো তদন্তের আগে বলা উচিত নয়। কারও প্ররোচনায় হয়ে থাকলে, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। যে-ই প্ররোচনা দিক, পেছন থেকে পানি ঘোলা করার চেষ্টা করুক, নিরাপত্তা বাহিনী সঠিকভাবে তাদের চিহ্নিত করবে। আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।
