গোড়াই-সখীপুর-ঢাকা রোডের ৩৫ কি.মি. রাস্তা ঝুঁকিপূর্ণ

আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০১৬, ০১:৩৫
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতু জাতীয় মহাসড়কের সংযোগ আঞ্চলিক রোড মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই-সখীপুর-ঢাকা সড়কের ৩৫ কি.মি. রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে খানা-খন্দক সৃষ্টি হয়ে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। এ ৩৫ কি.মি. রাস্তা এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে যুগ যুগ ধরে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ না করায় যোগাযোগের ক্ষেত্রে টাঙ্গাইলের ৭ উপজেলাবাসী চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। গোড়াই থেকে সখীপুর পর্যন্ত ৩৫ কি.মি. যাওয়ার জন্য ৪০ মিনিটের রাস্তা যেতে সময় লাগছে আড়াই থেকে তিন ঘন্টা। সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে গোড়াই-সখীপুর-ঢাকা সড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়ক। স্বাধীনতার পর থেকেই সড়কটির দৈন্যদশা। বিভিন্ন সময় রাস্তাটি প্রশস্ত ও উন্নয়নে বরাদ্দ এলেও নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে কাজ বলতে কিছুই হয়নি। যা বরাদ্দ এসেছে কাজের নামে হয়েছে লুটপাট। সর্বশেষ ২০১১ সালের শেষদিকে গোড়াই-সখীপুর-ঢাকা সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়নের জন্য একনেকে ৩১ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। বরাদ্দ টাকার কাজের জন্য দরপত্র আহবান করে কাজও শুরু হয়। কিন্তু মাঝপথে এসে অর্থের সংকট দেখিয়ে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগমন্ত্রী মো. ওবায়দুল কাদের ঘটনা দেখার জন্য এ সড়ক পরিদর্শনও করেছেন। তিনি রাস্তাটির করুণ দশা দেখে দ্রুত কাজ করার জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগকে নির্দেশ দেন। তারপরও গোড়াই-সখীপুর-ঢাকা রোডের উন্নয়ন হচ্ছে না।
 
সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, রাস্তাটি গুরুত্বপূর্ণ এটা সত্য। বিভিন্ন সময় বরাদ্দ এসেছে এবং কিছু কাজও হয়েছে। যে পরিমাণ অর্থ পাওয়ার কথা সে অনুযায়ী না আসায় সঠিকভাবে কাজ হয়নি। সর্বশেষ গোড়াই-সখীপুর-ঢাকা রোড প্রশস্তকরণ ও সংস্কারের জন্য ৯ কোটি টাকার প্রকল্পের বরাদ্দ পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যেই টেন্ডার হয়েছে। অচিরেই কাজ শুরু হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।