ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের সবচেয়ে দুর্বল দল ক্রিকেট কোচিং স্কুল (সিসিএস)। গতবছর প্রথম বিভাগে খেলে প্রিমিয়ারে উন্নীত হওয়া দলটি আর্থিক সঙ্কটের কারণে এবার সেভাবে দল গঠন করতে পারেনি। দলে একমাত্র সিনিয়র ক্রিকেটার রাজিন সালেহ।
বাকিদের মধ্যে পাঁচজন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের, এমনও ক্রিকেটার আছেন, যারা এই প্রথম প্রিমিয়ারে খেলার অপেক্ষায় রয়েছেন। এতকিছুর পরও তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে ভালো খেলার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী রাজিন সালেহ।
গতকাল সোমবার মিরপুরের একাডেমি মাঠে অনুশীলনের আগে প্রিমিয়ারে নিজের দলের লক্ষ্য প্রসঙ্গে রাজিন সালেহ বলেন, ‘আমি বলবো না এ দলটা খারাপ, অনেক তরুণ ক্রিকেটার আছে। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটার আছে। যারা অনেক সম্ভাবনাময়ী। তাদের ভবিষ্যৎ বেশ উজ্জ্বল। তাদের যেই সামর্থ্য আছে তারা যদি সেই কমিটমেন্ট অনুযায়ী খেলতে পারে তাহলে আশা রাখছি আমরা ভালো একটি জায়গায় চলে যেতে পারব।’
প্রিমিয়ারে নিচের সারির দল হওয়ায় অনেকেই বলছেন সিসিএস রেলিগেশন এড়ানোর জন্যই লিগে খেলবে। তবে এমনটি বলতে নারাজ জাতীয় দলে ‘সাবেক’ হয়ে যাওয়া রাজিন সালেহ। তিনি বলেন ‘অনেকেই বলছে যে আমরা রেলিগেশন এড়াতে খেলব। আসলে এটা বলা ঠিক না। ক্রিকেট হচ্ছে মাঠের খেলা। আমরা খেলোয়াড় দেখব না, খেলা দেখব। আমরা মাঠে ভালো ক্রিকেট খেলব। ভালো খেলতে পারলে দিন শেষে আমরাও একটা ভালো রেজাল্ট পেতে পারি।’
রাজিন সালেহ সর্বশেষ জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন ২০০৮ সালে। ৩৩ বছরে পা দেয়া এই ক্রিকেটারকে অনেকেই ‘বুড়ো’ ক্রিকেটার হিসেবে ভাবছেন। তবে রাজিন জানালেন তিনি এখনও অনেক পরিশ্রম করেন। তার পক্ষে লিগে ভালো খেলা সম্ভব। ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক পরিশ্রম করি, অনেক মেহনত করি। আমার বিশ্বাস আছে আমি ভালো খেলব। আমি তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে অনেক দলে খেলেছি। গতবছর পারটেক্সেও খেলেছি। মনে হচ্ছে এই তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে লড়াই করতে পারব। এদেরকে নিয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী। তারা নিজেরা অনেক ভালো খেলবে।’
দলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে রাজিন বলেন, ‘আমাদের দলের ব্যাটিং ও ফিল্ডিং বিভাগ বেশ ভালো। ইনশাআল্লাহ বাকি বিভাগগুলো রিকোভার করতে পারব। আমি চার নম্বরে ব্যাটিং করতে আশাবাদী। টিম চাচ্ছে ৫ নম্বরে ব্যাটিং করতে। ৪-৫ কোনো সমস্যা না। যেখানেই থাকি, যেখানেই ব্যাটিং করি ভালো খেলার চেষ্টা করব।’
