সুনামগঞ্জে ৬৫ প্রার্থীকে তিন লক্ষাধিক টাকা জরিমানা

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০১৬, ১৪:৫৮
 
সুনামগঞ্জের তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠেয় ইউপি নির্বাচনে তিন উপজেলার ২৬ ইউনিয়নে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। ব্যস্ততায় সময় কাটছে প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থদের। তারা কেবল প্রচারণা নিয়েই ব্যস্ত নয় সঙ্গে নির্বাচনী আচরণবিধিমালা ভঙ্গের একরকম অঘোষিত প্রতিযোগিতায়ও নেমে পড়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একে অন্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পোস্টার সাটাচ্ছেন দেয়ালে দেয়ালে। প্রচারণার কাজে ব্যবহার করছেন একের অধিক মাইক।
আগামী ২৩ এপ্রিল ভোটগ্রহণ অনুষ্টিত হবে। ভোটেরদিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে প্রচারণা। সেই সঙ্গে চলছে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। বিধিভঙ্গের দায়ে সম্প্রতি ৬৫ জন প্রার্থীকে তিন লক্ষ ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের পরিচালিত অভিযানে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার চার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদস্য পদ প্রত্যাশীদের ৬৫ জনকে বিভিন্ন অভিযোগে ভিন্ন ভিন্ন অংকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়।
বুধবার রাত থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া, কাঠইর, মোহনপুর ও কোরবাননগর ইউপির  আওতাধীন এলাকায় নির্বাচনী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুন খন্দকারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এ সময় মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের ছয়জন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীকে পাঁচ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেয়া হয়। পাশাপাশি মোহনপুর ইউনিয়নে তিনজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রত্যেককে ছয় হাজার টাকা, কাঠইর ইউনিয়নে সাতজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রত্যেককে ছয় হাজার টাকা ও কোরবাননগর ইউনিয়নে একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে মোল্লাপাড়া, কাঠইর, মোহনপুর ও কোরবাননগর ইউনিয়নে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে ৪৮ জন সদস্য পদপ্রার্থীকে অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুন খন্দকার।
এর মধ্যে মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের প্রত্যেক প্রার্থীকে পাঁচ হাজার টাকা ও অন্যান্য ইউনিয়নে প্রত্যেক প্রার্থীকে চার হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের পর বাকি প্রার্থীরাও অনেকটা সতর্ক হয়েছেন।
সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাচনী ম্যাজিস্ট্রেট মো.মামুন খন্দকার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।