কীর্তনখোলা ভরাট করে বাঁধ নির্মানে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

আপডেট : ০২ মে ২০১৬, ১৪:৩৮
 
বরিশালের কীর্তনখোলা নদী ভরাট করে বাধ নির্মান কাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ওই নির্মাণ কাজ বন্ধ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বরিশালের জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি একেএম সাহিদুল হকের অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার এই আদেশ দেন।
 
এছাড়া বরিশালের নদ-নদী, পুকুর ও খাল রক্ষার ব্যর্থতার বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালককে দুই সপ্তাহের মধ্যে আদালতে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। 
 
বরিশালের কীর্তনখোলা নদী ভরাট করে বাধ নির্মাণের ওপর বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সম্প্রতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট আবেদন দায়ের করেন হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে এডভোকেট মনজিল মোরসেদ। তিনি আদালতে বলেন, আইনানুযায়ী নদীর জায়গা দখল ও ভরাট করা যাবে না। কিন্তু প্রশাসনের সামনেই নদী ভরাট করা হচ্ছে, যা বেআইনি ও অবৈধ। তিনি বলেন, বরিশালের জেলা প্রশাসক ও পরিবশে অধিদপ্তরের পরিচালক নদ-নদী, খাল ও পুকুর ভরাট বন্ধে কার্যকর কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। ফলে প্রতিনিয়তই অবৈধভাবে এ ধরনের ভরাটের ঘটনা ঘটছে। শুনানি শেষে হাইকোর্ট অন্তবর্তিকালীন আদেশের পাশাপাশি নদীর জায়গা ভরাট করে বাধ নির্মাণ কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। এছাড়া কোন কর্তৃত্ববলে বরিশাল সিটি করপোরেশনের একজন জন প্রতিনিধি ওই ভরাট কাজ করছেন তারও ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।