গৃহস্থালি ও যানবাহনে ব্যবহারের ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম আবার বাড়বে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বাণিজ্য–সহায়ক পরামর্শক কমিটির সভায় সচিব বলেন, গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রক্রিয়া চলছে।
বাণিজ্য সচিব জানিয়েছেন, রান্নার কাজ ও গাড়িতেই মোট গ্যাসের ২০ শতাংশ ব্যয় হয়ে যায়। অথচ এ থেকে সরকার পায় মাত্র ১ হাজার ৩০ কোটি টাকা। অথচ এই পরিমাণ গ্যাস শিল্প খাতে গেলে ৮০ হাজার কোটি টাকার সুবিধা পাওয়া যেত। ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর গৃহস্থালি কাজে এক বার্নারের গ্যাসের চুলা ব্যবহারের জন্য ৪০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা এবং দুই বার্নারের চুলা ব্যবহারের জন্য ৪৫০ থেকে বাড়িয়ে ৬৫০ টাকা হয়। একই সময় কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস (সিএনজি) প্রতি ইউনিট ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫ টাকা করা হয়।
পর্যায়ক্রমে বাড়িতে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। বাসাবাড়িতে এলপি গ্যাস ব্যবহারে লোকজনকে উৎসাহিত করা হবে। তবে সার উৎপাদন ও বিদ্যুৎ প্রকল্প উৎপাদনের ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম বাড়ানোর আপাতত কোনো চিন্তা নেই বলে জানান জ্বালানিসচিব। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত প্রধান অতিথি ছিলেন।
