গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের অবসরপ্রাপ্ত কারারক্ষী নিহত রুস্তম আলী হাওলাদারের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে গেছে স্বজনরা। বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে কোনাবাড়ি দেওলিয়া বাড়ির কবরস্থান থেকে নিহতের লাশ উত্তোলন করা হয়। এ সময় পুলিশ ও প্রশাসনের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। পরে স্বজনরা একটি এ্যাম্বুলেন্সযোগে লাশটি গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার চরকগাছিয়া গ্রামের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে জয়দেবপুর থানার কোনাবাড়ি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মোবারক হোসেন জানান, নিহতের স্বজনরা নিজ উদ্যোগে কবর থেকে লাশটি উত্তোলন করেন। পরে তাদের গ্রামের বাড়িতে কবরস্থ করার জন্য নিয়ে গেছে বলে স্থানীয় লোকজন তাকে জানিয়েছেন।
স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর সেলিম রহমানও স্থানীয়দের মাধ্যমে লাশ উত্তোলনের বিষয়টি শুনেছেন বলে তিনি জানান।
এদিকে হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত ও রিমান্ডে থাকা আসামি হিমেলের কাছে থেকে প্রথম দিনে কোন তথ্য পায়নি পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আমির হোসেন জানান, প্রথম দিনের রিমান্ডে কোন তথ্য দেয়নি আসামি হিমেল।
এদিকে রুস্তম আলীর লাশ স্থানীয় দেওলিয়াবাড়ি কবরস্থান থেকে উত্তোলন করার জন্য গাজীপুর জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বরাবর আবেদন করেও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুমতি পাননি বলে জানিয়েছেন নিহত রুস্তম আলীর ছোট ভাই শাহ আলম।
উল্লেখ্য, সোমবার গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে অবসর জনিত ছুটিতে থাকা এক সার্জেন্ট ইনস্ট্রাক্টর মোঃ রুস্তম আলী হাওলাদার প্রকাশ্য দিবালোকে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন। হত্যাকাণ্ডের পর ঘাতকরা মোটরসাইকেলযোগে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ঐ দিন রাতেই হিমেল নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
