চেরি টমেটো চাষে কৃষকেরা আগ্রহী

আপডেট : ০১ মে ২০১৬, ১৭:৪৬
 
নাম চেরি টমেটো, দেখতে অনেকটাই আঙ্গুর ফলের মতই। জমির প্রতিটি গাছে থোকায় থোকায় ধরেছে এই টমেটো। ফলের ভারে গাছ গুলো মাটিতে নুয়ে পড়েছে। নতুন জাতের এই টমেটোর চাষ করে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন যশোরের চৌগাছার কৃষক আবতাফ হোসেন।
 
দাম একটু বেশি হলেও নতুন জাতের টমেটো হওয়ায় ক্রেতারা আকৃষ্ট হয়ে প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে ক্রয় করছে। চেরি টমেটোর স্বাদও অতুলনীয়। উপজেলার সাদিপুর গ্রামের মুরাদ আলী বিশ্বাসের ছেলে আবতাফ হোসেন (৪৬) কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। সবজিসহ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রকার শস্যের চাষ করে তিনি এলাকায় একজন সফল চাষি হিসেবে পরিচিতি আছে।
 
চলতি মৌসুমে আবতাফ ৩ শতক জমিতে (বারি-১১) চেরি টমেটোর চাষে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন । ইতোমধ্যে তিনি প্রায় দশ হাজার টাকার টমেটো বিক্রি করেছেন। এখনও গাছে যে পরিমানে ফুল ফল এসেছে তাতে কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয় না হলে মৌসুমে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার টমেটো বিক্রি করবেন বলে তিনি আশা করছেন। আবতাফ জানান আন্তর্জাতিক সবজি কেন্দ্র (এভিআরডিসি) প্রতিনিধিদের পরামর্শে প্রথমে অল্প জমিতে সবজি চাষ করতে আগ্রোহী হন তিনি।
 
টমেটোর বীজ থেকে শুরু করে সকল কিছুতেই এভিআরডিসি তাকে সাহায্য করেছে বলে জানাগেছে। আবতাফ জানান, প্রথমে জমি তৈরী করে সারিবদ্ধ ভাবে অগ্রহায়ন মাসে চারা বপন করার উপযুক্ত সময়। চারা লাগানোর পর ৮০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিটি গাছে ফুল আসে। তবে অন্য যে কোন ফসলের চেয়ে চেরি টমেটোর ক্ষেতে সার সেচ এমনকি কীটনাশকও কম লাগে। বর্তমান গাছে এতো বেশি পরিমান ফল-ফুল এসেছে যে ফলের ভারে গাছ মাটির সাথে নুয়ে পড়ায় বাঁশের মাচা করে গাছ সোজা করে রাখা হয়েছে।
 
এব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার জানান, আবতাফ হোসেনের নতুন সবজি (চেরি টমেটো) চাষে আকৃষ্ট হয়ে উপজেলার অনেক কৃষক চেরি টমেটো চাষে আগ্রোহী হয়ে উঠেছেন।