চরফ্যাশনের মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে বাগদা এবং গলদা চিংড়ি রেণু সংগ্রহের নামে অবাধে নিধন হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা।
মত্স্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, বাগদা ও গলদা চিংড়ি রেণু আহরণ করার সময় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা ধ্বংস হয়। চাঁদপুর মত্স্য গবেষণার প্রধান ইলিশ গবেষক ড. আনিসুর রহমান বলেন, চিংড়ি পোনা আহরণের নামে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও জলজপ্রাণী। এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে মেঘনা এবং তেঁতুলিয়া নদী ইলিশ শূন্য হয়ে পড়বে ।
চরফ্যাশনের মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে শিশু-কিশোর, বৃদ্ধসহ সবাই দল বেঁধে মশারি এবং ঠেলা জাল দিয়ে মেঘনা ও তেঁতুলিয়ায় অবাধে বাগদা-গলদা রেণু ধরছে। প্রতিটি দলে ২০-২৫ জন রয়েছে। এদের অনেকের কোমড় ও হাতে রয়েছে বালতি ও হাড়ি। মেঘনায় কিছু সময় জাল টানার পর এরা ডাঙ্গায় উঠে আসে। পরে জালের কোণায় জমানো বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা, জলজপ্রাণী ও চিংড়ি পোনা বড় গামলা বা বাসনে রেখে বেছে আলাদা করা হয় বাগদা-গলদার পোনা। বাগদা-গলদার পোনা আলাদা করা শেষ হলে অবশিষ্ট মাছের পোনা, জলজপ্রাণীসহ বিভিন্ন প্রজাতির পোনা মাটিতে ফেলে দেয়া হয়। এভাবে মেঘনায় প্রতিনিয়ত বাগদা-গলদা চিংড়ি পোনা আহরণের নামে অবাধে নিধন হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা।
চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মত্স্য কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মেঘনায় অভিযানের পাশাপাশি গণসচেতনতার কাজ চলছে। প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবে অভিযান সামান্য ব্যাহত হলেও শেষ পর্যন্ত অভিযান চলবে।
