ভিটামিন এ, বি এবং ই এর বিশাল উত্স হচ্ছে আমন্ড অয়েল। ত্বক এবং চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে আমন্ড অয়েলের এসব উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। চলুন জেনে নেয়া যাক আমন্ড অয়েলের নানা ব্যবহার।
* শুষ্ক ত্বকের জন্য আমন্ড অয়েল হচ্ছে আদর্শ ময়েশ্চারাইজার। এর ভিটামিন ই ত্বকের রুক্ষভাব দূর করে একে নরম ও মসৃণ করে তোলে। রাতের বেলা ঘুমানোর আগে এটি ময়েশ্চারাইজার হিসেবে লাগানো যেতে পারে।
* চোখের ডার্ক সার্কেল থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে চোখের নিচে আমন্ড অয়েল লাগান। নিয়মিত ব্যবহারে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
* স্ক্রাবার হিসেবে এই তেলটি ব্যবহার করতে পারেন। এক চামচ আমন্ড অয়েল এবং এক চা চামচ চিনি নিয়ে মিশিয়ে মুখে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের মরা কোষ এবং ময়লা ভিতর থেকে পরিষ্কার করে।
* আমন্ড অয়েল চুলে লিভ ইন কন্ডিশনারের মতো ব্যবহার করতে পারেন। এটি চুলের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে সিল্কি করে।
* ঠোঁট ফাটা রোধ ও গোলাপি আভা নিয়ে আসতে ৫-৬ ফোঁটা আমন্ড অয়েল এবং ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে একটি লিপ বাম কনটেইনারে সংরক্ষণ করুন। লিপ বাম বা লিপ জেলের পরিবর্তে এটি নিয়মিত ঠোঁটে লাগান।
* মেকআপ রিমুভার হিসেবে আমন্ড অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। এটি ত্বকের ভিতর থেকে ময়লা এবং মেক-আপ পরিষ্কার করে।
* সুন্দর ও স্বাস্থ্যজ্জল চুল পেতে আমন্ড অয়েল হালকা গরম করে চুলে এবং স্ক্যাল্পে ভালো মতো ম্যসাজ করুন। চাইলে এর সাথে নারিকেল তেল যোগ করতে পারেন।
