গুমানী নদীতে খাঁচায় মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী ১০ পরিবার

আপডেট : ০৬ মে ২০১৬, ০১:৩০
গুমানী নদীতে খাঁচায় মাছ চাষ করে অন্তত দশটি পরিবার স্বাবলম্বী হয়েছেন।  এসব পরিবারের সদস্যরা নদীতে বাঁশ ও জাল দিয়ে ২০ ফুট দৈর্ঘ্য, ১০ ফুট প্রস্থ ও ৬ ফুট গভীর সাইজের একেকটি খাঁচা তৈরি করেছে। অনেকগুলো খালি ড্রামের সাথে খাঁচার উপরিভাগ বেঁধে এটিকে ভাসমান করে রাখা হয়েছে। প্রতিটি খাঁচায় ১ থেকে দেড় হাজার মনোসেক্স মাছ চাষ করা হয়। এখানে ১ কেজি মাছ উত্পাদন করতে ৮০ থেকে ৯০ টাকা খরচ হয়। নদীর মাছ বলে স্থানীয় বাজারে এর চাহিদাও বেশি। বর্তমানে এ মাছ ১২০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
 

মত্স্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর উপজেলার পুঙ্গলী ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের হাফিজুর রহমান প্রথমে গুমানী নদীর ডেমরা এলাকায় খাঁচায় মাছ চাষ শুরু করেন। তার সাফল্যের জন্য ২০১৪ সালে তিনি জাতীয় ও  ২০১৫ সালে বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কার লাভ করেন। কম খরচে মাছ চাষ করে অধিক লাভবান হওয়ায় অনেক মত্স্যজীবী এখন এ পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন। এলাকার নাজিমুদ্দিন ও আব্দুর  রাজ্জাকেরও গুমানী নদীতে কয়েকটি ভাসমান খাঁচা রয়েছে। তারা এখানে মাছ উত্পাদন করে সাফল্য পেয়েছেন বলে দাবি করেন। তবে প্রশিক্ষণ ও সহজশর্তে ঋণের ব্যবস্থা করলে এখানকার মত্স্যজীবীরা উন্মুক্ত নদীতে মাছের চাষ আরো বাড়াতে পারবে। তখন খাঁচায় মাছ চাষের অধিক সুফল অর্জিত হবে, মানুষের দারিদ্র্যও দূর হবে।