মুন্সীগঞ্জে দুই কেন্দ্র স্থগিত, সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ৫

আপডেট : ০৭ মে ২০১৬, ১৪:৩৪
মুন্সীগঞ্জে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুইটি কেন্দ্র স্থগিত করা হয়েছে। সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত হয়েছে পাঁচজন। বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে পাঁচজনকে।
 
টঙ্গীবাড়ি উপজেলার যশলং ইউপির সেরাজাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুর্বৃত্তরা ব্যালট পেপার ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। সদর উপজেলার রামপাল ইউপির কাজী কসবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেও ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। পরে নির্বাচন কমিশনের পরামর্শ অনুযায়ী কেন্দ্র দুটি স্থগিত করা হয়।
 
সদরের রামপাল ইউপির মিলকীপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্র দখলের চেষ্টাকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এই সময় পুলিশের এক এএসআইসহ পাঁচজন আহত হয়েছে। আহত পুলিশ কর্মকর্তা রবিউল ইসলামের মাথা ফেটে গেছে। তাকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
 
এছাড়া সংঘর্ষের সময় পুলিশ তিন রাউন্ড ফাকা গুলি ছুড়ে। এই সময় পুলিশের পিস্তলের ম্যাগজিন খোয়া যায়।
 
পুলিশ সুপার বিপ্রভ বিজয় তালুকদার জানান, ম্যাগজিনটি উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনায় আসাদ নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে।
 
এদিকে ইউনিয়নটির পানাম প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৪/৫টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটেছে। পঞ্চসার ইউপির চর মুক্তারপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নারারয়ণগঞ্জ থেকে আসা বহিরাগতরা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা চালায়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
 
মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহা. হারুন অর রশিদ এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্থগিত কেন্দ্রগুলো ছাড়া বাকি কেন্দ্রেগুলোতে ভোট গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।
 
উল্লেখ্য, চতুর্থ দফায় সদর উপজেলার তিনটি এবং টঙ্গীবাড়ি উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে নির্বাচন চলছে। এগুলোতে মোট কেন্দ্র সংখ্যা ১৪৯ টি। এর মধ্যে ১২৩টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত।