মেহেরপুরে গাংনীতে জামাইয়ের ছোড়া দাহ্য পদার্থে দগ্ধ শ্বাশুড়ি ফুলসুরাতন নেছা (৮০) মারা গেছেন।
রবিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। ফুলসুরাতন নেছা গাংনী উপজেলার সহড়াবাড়িয়া গ্রামের বিলপাড়া এলাকার মৃত আবু বক্করের স্ত্রী । স্ত্রীর ওপর প্রতিশোধ নিতে ভুল করে শাশুড়ি ফুলসুরাতন নেছাকে দাহ্য পদার্থ দিয়ে দগ্ধ করেন হাউস আলী।
এর আগে শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বৃদ্ধ ফুলসুরাতন নেছার বাড়িতে ঢুকে স্ত্রী ভেবে দাহ্য পদার্থ দিয়ে ঝলসিয়ে দেন হাউস।
ফুলসুরাতনের বড় ছেলে আব্দুর রহমান বলেন, ‘আমার বোন আম্বিয়া খাতুনের সঙ্গে পাশের ষোলটাকা গ্রামের মাটিকাটা শ্রমিক হাউস আলীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই হাউস আলী বোন আম্বিয়া খাতুনকে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করে আসছিল। নির্যাতন সইতে না পেরে গত ১৭ এপ্রিল হাউস আলীকে তালাক দেন আম্বিয়া খাতুন। এর প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে হয়ে উঠে হাউস আলী।’
মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডা. আনোয়ারুল ইসলাম জানান, ফুলসুরাতনের শরীরের ৮০ ভাগ দাহ্য পদার্থে ঝলসে যায়। রবিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে মারা যান তিনি। এদিকে খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকরাম হোসেন।
তিনি জানান অভিযুক্ত হাউসকে আটকের চেষ্টা চলছে। এছাড়া নিহতের মৃতদেহ উদ্ধারে করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে।
