যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন স্থানে হামলা ও পাল্টা হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। আহতদের মধ্যে ২ জনকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন খাসখালি গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন ও রাসেল।
স্থানীয়রা জানান, শিমুলিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেয়া হয় মতিয়ার রহমান সরদারকে। তার বিরুদ্ধে প্রার্থী হন দলের অপর নেতা শফিউদ্দিন আহমেদ। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে জোর কোন্দল চলে আসছিল। শনিবার ভোটগ্রহণ শেষে বিদ্রোহী শফিউদ্দিন বিজয়ী হলে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় উভয় পক্ষ বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা-পাল্টা হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
অন্যদিকে রবিবার সকালে গদখালী ইউনিয়নের টাওয়া গ্রামে দুই মেম্বার প্রার্থীর মধ্যে মারামারি হয়েছে। দুপুরের মারামারি হয়েছে শিমুলিয়া ইউনিয়নের আযমপুর গ্রামে। আর বিকেলে মাগুরা ইউনিয়নের কায়েমকোলা গ্রামের মারামারিতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।
ঝিকরগাছা থানার ওসি মোল্যা খবির আহমেদ এসব হামলার কথা নিশ্চিত করে বলেন, বেশিরভাগ মেম্বার পদে জয়ী ও পরাজিতদের মধ্যে মারামারি হচ্ছে। এতে অনেকে আহত হয়েছে। তবে এসব ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি।
