রাজশাহী বাগমারা উপজেলার আউচপাড়া ইউনিয়নের হাটগাঙ্গোপাড়ায় আওয়ামী লীগের দুইগ্রুপ ও পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়েছে।
রবিবার বিকেলে পুলিশের দায়ের করা মামলায় ৬০ জনের নাম উল্লেখসহ ১২০০ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। তবে সংঘর্ষে দুই আওয়ামী লীগ কর্মী নিহতের ঘটনায় রবিবার বিকেল পর্যন্ত মামলা হয়নি।
এদিকে রবিবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে নিহত মফিজ উদ্দিনের ছেলে সিদ্দিকুর রহমান এবং রহিম উদ্দিনের ছেলে রমজান ওরফে রনজুর লাশ সারন্দি গ্রামের পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। অন্যদিকে পুলিশের গণগ্রেফতার আতঙ্কে আউচপাড়া ইউনিয়নের সারন্দি, অব্যাহতপাড়া, তকিপুর ও কোন্দা এই চারটি গ্রাম পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে। এসব গ্রামে রবিবার নারী-শিশু ও বৃদ্ধ ছাড়া কোনো পুরুষ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সংঘর্ষের বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার নিশারুল আরিফ বলেন, পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধাঁদান ও আওয়ামী লীগ কর্মীর নিহতের অভিযোগের দায়েরকৃত মামলার বাদী হয়েছেন হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই মাসউদ আলী সরকার। তিনি বলেন, গুলিবিদ্ধ হয়ে আওয়ামী লীগ কর্মী সিদ্দিকুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে। তবে তিনি কার গুলিতে নিহত হয়েছেন তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না। কারণ সংঘর্ষের সময় বিবদমান আওয়ামী লীগের মনোনিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থক এবং বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরাও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছে। আবার তাদের নিয়ন্ত্রণ এবং আত্মরক্ষার্থে পুলিশও গুলিবর্ষণ করেছে। অর্থাৎ সংঘর্ষের সময় তিনপক্ষই শক্তি প্রদর্শণ করেছে। অপর আওয়ামী লীগ কর্মী রমজান আলী রঞ্জু সংঘর্ষের সময় হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। তার শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
