‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায়ে পাকিস্তান ও বিএনপির প্রতিক্রিয়া এক’

আপডেট : ১০ মে ২০১৬, ১৫:৩০
 
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশে রাজনীতি করছেন এমন অভিযোগ উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড.হাছান মাহমুদ বলেছেন,প্রত্যেক যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায়ের পরে পাকিস্তান যে প্রতিক্রিয়া দেয় খালেদা জিয়া ও তার দলের পক্ষ থেকেও একইরকম প্রতিক্রিয়া দেয়া হয়।নিজামীর বেলায়ও তার ব্যত্যয় ঘটেনি।
 
মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধুর জামাতা বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী প্রয়াত ড.এম ওয়াজেদ মিয়ার স্মরণে এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাছান মাহমুদ এই মন্তব্য করেন।
 
হাসান মাহমুদ বলেন, বেগম জিয়া আসলে বাংলাদেশে বসে পাকিস্তানের স্বার্থ সংরক্ষণ করছেন। ১৯৭১ সালে জিয়াউর রহমান যেমন মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মাবরণে পাকিস্তানের গুপ্তচর ছিলেন ঠিক তেমনি খালেদা  জিয়াও পাকিস্তানের গুপ্তচর।
 
অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে দেশের রাজনীতিতে নিষিদ্ধের জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, খালেদা জিয়ার এদেশে রাজনীতি করার অধিকার হারিয়েছেন। তিনি দেশে বসে পাকিস্তানের সাথে সুর মিলিয়ে কথা বলেন;পাকিস্তানের স্বার্থ সংরক্ষণে ব্যতিব্যস্ত থাকেন। পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের সাবেক এক কর্মকর্তা সে দেশের আদালতে স্বীকার করেছেন যে ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পূর্বে বেগম জিয়া গোয়েন্দা সংস্থাটি থেকে ৫ কোটি টাকা নিয়েছিলেন।প্রকৃতপক্ষে বেগম জিয়া আইএসআইএসের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা পান।অন্য কোন দেশ হলে খালেদা জিয়া এতোদিনে রাজনীতি করার যোগ্যতা হারাতেন। তাই আমি সরকারকে অনুরোধ জানিয়ে বলব অবিলম্বে যেন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়।
 
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু এমপি,যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড.সিদ্দিকুর রহমান, বলরাম পোদ্দার, ফজলুল হক ও এমএ করিম প্রমুখ।