ডিসিসিআই’র সেমিনার
ইত্তেফাক রিপোর্ট
বিশ্বব্যাপী পরিবেশবান্ধব প্রচারণার কারণে প্লাস্টিক পণ্যে মানুষের আগ্রহ কমছে। তাই পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়ার সম্ভাবনা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এ জন্য নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারে গুরুত্ব দিয়েছেন তারা। সেই সঙ্গে যথাযথ নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল সোমবার রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক সেমিনারে তারা এসব কথা বলেন। ডিসিসিআই অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘পাট শিল্পের উন্নয়নে এর বহুমুখীকরণ : সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা’ শীর্ষক ওই সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী। ডিসিসিআই সভাপতি ওসামা তাসীরের সভাপতিত্বে এতে অর্থনীতিবিদ, পাট খাতের উদ্যোক্তা ও ডিসিসিআইয়ের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা পাটখাতের উন্নয়ন গবেষণা পরিচালনা, বিনিয়োগ সহায়ক নীতিমালা প্রণয়ন, মানবসম্পদের দক্ষতা বৃদ্ধি, বিশেষায়িত পাটকল স্থাপন, বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের উত্পাদিত পাট পণ্যের ব্র্যান্ডিং বাড়ানো এবং ‘জুট পেপার অ্যাক্ট’ প্রণয়নের উপর গুরুত্ব দেন। ঢাকা চেম্বারের সভাপতি ওসামা তাসীর বলেন, এ খাতের উন্নয়নে যথাযথ নীতিমালা প্রণয়ন ও নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার আবশ্যক।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে ডিসিসিআই পরিচালক রাশেদুল করিম মুন্না বলেন, সারা পৃথিবীতে পাট পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে পাটের উত্পাদন প্রায় ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি জানান, ইন্টারন্যাশনাল জুট স্টাডি গ্রুপ এর সমীক্ষা অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী পাটের তৈরি শপিং ব্যাগের চাহিদা প্রায় ৫০০ বিলিয়ন এবং ২০২১ সালে পাটের তৈরি ব্যাগের বাজার মূল্য হবে প্রায় ২ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।
গোলাম দস্তগীর গাজী স্থানীয়ভাবে পাটপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ ও দেশীয় উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করতে মতিঝিলে প্রদর্শনী সেন্টার স্থাপনে মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলে জানান। ৃএ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, ডিসিসিআই পরিচালক এনামুল হক পাটোয়ারী, হোসেন এ সিকদার, কে এম এন মঞ্জুরুল হক প্রমুখ।
