মধুমাস জ্যৈষ্ঠের প্রথম দিন কাল

আপডেট : ১৪ মে ২০১৬, ২১:২১
 
বৈশাখ বিদায় নিচ্ছে আজ। আগামীকাল জ্যৈষ্ঠের পয়লা দিন। শুরু হবে মধু মাস। খুব বেশিদিন স্থায়ী হয় না বাঙালির রসনাতৃপ্তির মিষ্টি ফল আম-কাঁঠালের এই মাস। মূলত গ্রীষ্ম ঋতুর খরতপ্ত বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ দুই মাসই মিষ্টি ফলের মাস। তবে তা জমে ওঠে জ্যৈষ্ঠেই। আম, জাম, কাঁঠাল, লিচুতে ভরে ওঠে সারাদেশসহ নগরীর ফলের দোকানগুলো। জ্যৈষ্ঠ মাস বাংলার প্রামীণ সমাজের ঐতিহ্যেরও অনিবার্য অংশ। গ্রামের মানুষ আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আম-কাঁঠালের উপহার পাঠিয়ে থাকে এই জ্যৈষ্ঠেই। শহরেও ফলের উত্সব এখন। ঢাকার ফুটপাতে এবং ফলের দোকানগুলোয় নজর কাড়ছে গ্রীষ্মের মৌসুমি ফল। সাম্প্রতিককালে ফল বেচা-বিক্রির ধরনও পাল্টে গেছে। রিকশাভ্যানে নানা রূপ-বৈচিত্রের রসালো ফলের পসরা সাজিয়ে হকার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘুরে বেড়ায় রাজধানীর মহল্লায় মহল্লায়। আম, লিচু, কাঁঠাল, জাম, জামরুল, গাব, লটকন, পেয়ারা, আমড়া, আতা, আনারস আরও নানারকম দেশি-বিদেশি ফল পাওয়া যায় এ সময় ঢাকায়। তবে দাম কিন্তু চড়া।
 

রাজধানীর ফলের দোকানগুলেঅতে থরে থরে সাজানো নানা জাতের মৌসুমি ফল। জিভে জলতোলা চকচকে বর্ণিল এসব ফল পথচারীদের সহজেই দৃষ্টি কাড়ে। তবে এসব চকচকে সব ফলই কিন্তু নিরাপদ নয়। এসব ফলের বেশিরভাগই কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো। বিক্রেতারা অবশ্য তা মানতে নারাজ। এখনও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম চোখে পড়েনি। কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো বা কেমিক্যাল মেশানো আম সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য হচ্ছে, ‘ক্যালসিয়াম কার্বাইডযুক্ত বিষাক্ত আম খেলে ডায়রিয়া, জন্ডিস, বিশেষ করে শিশুদের ক্যান্সার ও ব্লাড ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’ কাজেই ফল কেনার সময় কেমিক্যালের বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত। চকচকে রঙের টসটসে ফল হলেই তা নিরাপদ নয় কিন্তু!