পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঠিকাদার হিসেবে যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম কিছু দিন পূর্বে এলাকায় একটি রাস্তা নির্মাণ করেন। কিন্তু এলাকার লোকজন ওই রাস্তা দিয়ে ভারী যানবাহনের মাধ্যমে ইট, বালু ও সিমেন্ট পরিবহন করায় রাস্তা ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় তিনি যানবাহন চলাচলে বাঁধা দেন। এ নিয়ে গত ২ দিন যাবত্ এলাকার লোকজনের সাথে তার বিরোধ চলে আসছিল। শুক্রবার দুপুরের দিকে স্থানীয় লোকজনের সাথে রাস্তায় যানবাহন চলাচল নিয়ে তার সাথে পুনরায় বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় ১০/১২ জনের একটি দল তাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে তার স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। রাতে মনোহরগঞ্জ থানার ওসি বিপুল চন্দ্র ভট্ট জানান, ‘এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে ১০ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন, শনিবার কুমেক হাসপাতাল মর্গে নিহতের মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে।’ রাত ৮টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।
