ভূঞাপুর উপজেলা শহর থেকে মাত্র ৭ কি.মি দূরে তালুকদার সিরাজ আলী উচ্চ বিদ্যালয়। উপজেলার পাছতেরিল্যায় ১৯৯৫ সালে এক একর জায়গা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বিদ্যালয়টি। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিজস্ব অর্থায়নে ১২০ হাত লম্বা টিনের ঘর দিয়ে যার যাত্রা শুরু হয়। আজ পর্যন্ত সরকারি কোন সহযোগিতা না পাওয়ায় অবহেলায় পড়ে আছে বিদ্যালয়টি। জরাজীর্ণ ঘরেই চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান।
১৯৯৯ সালে জুনিয়র হাইস্কুল, পরে ২০০৫ সালে মাধ্যমিক স্কুল হিসেবে এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে ১৩ জন শিক্ষক/কর্মচারী বিদ্যালয়ে শিক্ষাদান করলেও প্রতিষ্ঠাকাল থেকে বিদ্যালয়টির অবকাঠামো ও কোনো প্রকার উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি একেবারেই। ঘরের টিনের বেড়া ভেঙে খসে পড়ছে। ঝড় কিংবা বৃষ্টিতে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। প্রচণ্ড গরমে ঘরের ছোট ছোট রুমে মানবেতর ক্লাস করতে হচ্ছে ৩শ শিক্ষার্থীকে। বিদ্যালয়টি করুণ অবস্থার কারণে শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত ক্লাসে আসে না। ক্লাস করার জন্য নেই তেমন পরিবেশও।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিমুজ্জামান তালুকদার জানান, শিক্ষার্থীদের বসার যায়গা দিতে পারি না। প্রচণ্ড গরমে বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করাতে হচ্ছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীনুর ইসলাস জানান, বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও উন্নয়নের বরাদ্দ পরিষদ থেকে দেয়া হয়ে থাকে। তবে কেন দেয়া হয়নি সেটা জানা নেই। শিক্ষার্থীদের বিষয় বিবেচনা করে বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ও অবকাঠামোর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
