শারীরিক প্রতিবন্ধী ছালমা বেগম (৩৫) প্রতিবন্ধীতাকে জয় করে সফল নারী হিসাবে সমাজকে আলোকিত করেছেন। ভাইয়ের দেয়া জরাজীর্ণ একটি ঘরে বসবাস করলেও ভিক্ষাবৃত্তি বেছে না নিয়ে নিজেকে পরিণত করেছেন কর্মের হাতে। গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালনের পাশাপাশি সেলাই করে সংসার চালান তিনি। সংসারে একমাত্র মেয়ে হাবিবাকে ভর্তি করেছেন স্থানীয় ব্র্যাক স্কুলের শিশু শ্রেণীতে। সমাজের কাছে তার একটি চাওয়া— ভিক্ষা চাই না, মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসাবে চান একখণ্ড জমি। যেখানে স্বামী-সন্তান নিয়ে শান্তিতে ঘুমাতে পারেন। সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড চকশ্যাম গ্রামে বাবা, মা ও ভাইয়ের সঙ্গে বসবাস করেন শারীরিক প্রতিবন্ধী ছালমা বেগম। বাবা মকবুল হোসেন ও মা রেখা বেগমের ছোট মেয়ে ছালমা।
৬ মাস বয়সে শরীরে প্রচণ্ড জ্বর হওয়ার পর চিকিত্সার অভাবে কোমর থেকে বাম পা অবস হয়ে যায়। এভাবেই প্রতিবন্ধিতা নিয়ে বেড়ে ওঠা এবং পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে ভর্তি হন খনজনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে। বাবা-মার আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে ৮ম শ্রেণী পাস করার পর লেখাপড়া থেমে যায়। ২০০১ সালে আমদই ইউনিয়নের দন্ডপানি গ্রামের শাজাহান আলীর সঙ্গে বিয়ে হয়। প্রথমে বাড়ির পাশে একটি মুদি দোকান করেছিলেন। বেচা-কেনা ভাল হতো। অর্থাভাবে পাঁচ মাস ধরে এটি বন্ধ রয়েছে বলে জানান তিনি। ২০০৬ সালে সমাজসেবা বিভাগ থেকে শারীরিক প্রতিবন্ধী হিসাবে নিবন্ধনপ্রাপ্ত হন। প্রতিমাসে ৫শ’ টাকা হারে তিন মাস পর পর ১৫শ’ টাকা ভাতাও পান ছালমা। ভাইয়ের দেয়া একটি ঘরে থেকেও গরু, ছাগল, মুরগি পালন করেন এবং অবসর সময়ে সেলাইয়ের কাজ করেন।
রাঙ্গামাটির মাদক বিক্রেতা আজিজ ইয়াবাসহ আটক
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি রাঙ্গামাটি শহরের মাদক বিক্রেতাদের অন্যতম গডফাদার আজিজকে তিন’শ পিছ ইয়াবাসহ আটক করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে শহরের পৌরসভা এলাকার জনৈক সোলায়মানের মত্স্য খামার থেকে তাকে আটক করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রশিদ। পুলিশ জানান, শুক্রবার রাতে ক্রেতা সেজে ইয়াবা কিনতে গিয়ে আজিজকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হয়েছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। এসময় তার দেহ তল্লাশী করে প্যান্টের পকেট থেকে তিন’শ পিছ বিক্রয় নিষিদ্ধ ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
