চৌমুহনী (নোয়াখালী) সংবাদদাতা
বেগমগঞ্জে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রায় সব প্রার্থীই আওয়ামী লীগের। ইতোমধ্যে প্রচার-প্রচারণাও চলছে। তিনটি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ জন প্রার্থী। ৩১ মার্চ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, ৩১ মার্চে অনুষ্ঠিতব্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ওমর ফারুক বাদশা (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী ভিপি মোহাম্মদউল্যা (দোয়াত কলম)। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আবু বকর ছিদ্দিক টিপু (বই), নূর হোসেন মাসুদ (তালা), মাহবুবুর রহমান (বৈদ্যুতিক বাল্ব) ভিপি মেছবাহুল হক টুটুল। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান চঞ্চলা দেবী (সেলাই মেশিন), আবিদা সুলতানা ঊর্মি (পদ্মফুল), সাজেদা আক্তার লাভলী (কলস) মাহমুদা বেগম নিশি (ফুটবল) মার্কা নিয়ে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। বেগমগঞ্জে ১৬টি ইউনিয়ন ও প্রথম শ্রেণির চৌমুহনী পৌরসভায় সাড়ে চার লক্ষাধিক ভোটার রয়েছে। আওয়ামী লীগ দলীয় সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সকলে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, মহিলা লীগের নেতা।
নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মরহুম নূরুল হকের কনিষ্ঠ পুত্র ওমর ফারুক বাদশা জানান, আমার পিতা মরহুম নূরুল হক বঙ্গবন্ধুর একজন ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। আমি নিজেও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দলের জন্য কিছুটা অবদান রাখতে পারায় দলের হাইকমান্ড আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমার কর্মকাণ্ডের ফসল হিসাবে ভোটাররা আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন বলে আমার বিশ্বাস এবং আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। চেয়ারম্যান পদে অপর প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ভিপি মোহাম্মদউল্যা জানান, আমি পূর্বেও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলাম। ঐ সময় আমার কর্মকাণ্ডে দলীয় তৃণমূল পর্যন্ত নেতাকর্মীরা উত্ফুল্ল ছিল। দল আমাকে মনোনীত না করলেও তৃণমূল নেতাকর্মী ও জনগণের সমর্থন নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। জনগণ আমার প্রতি যে আস্থা রেখেছে তাতে আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী সকলে স্থানীয় মহিল আওয়ামী লীগের নেতা। সকলে নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।
