ঢাকার দুই সিটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে হাইকোর্টে প্রতিবেদন

আপডেট : ১৯ মে ২০১৬, ২১:২৪
হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সিটি করপোরেশনের নেয়া কার্যক্রম বিষয়ে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।
 
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ৩৩টি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) স্থাপন করেছে। যার প্রতিটির আয়তন দুই হাজার বর্গফুট। আরও ২৩টির কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপন করা হয়েছে এক হাজার ডাস্টবিন। এদিকে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন চলতি বছরকে ‘পরিচ্ছন্নতা বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
 
করপোরেশনের বিভিন্ন স্থানে ৩ হাজার ৬০ টি ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়েছে। আরো ৫ হাজার ৭০০টি ডাস্টবিন স্থাপনের কাজ চলছে। এছাড়া মধ্যরাত থেকে সকাল সাতটার মধ্যে ডাস্টবিনে ময়লা ফেলতে বলা হয়েছে। সকাল সাতটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত ময়লা ফেলার কাজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
 
বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের ডিভিশন বেঞ্চে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে এই প্রতিবেদন গতকাল বৃহস্পতিবার দাখিল করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদনে দুই সিটির বিভিন্ন হাসপাতালের বর্জ্য ও গৃহবর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তার কোনও সঠিক তথ্য উল্লেখ নেই বলে জানান মামলা সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
 
আদালতে রিটকারী পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ মহিদুল কবির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।
 
‘অব্যবস্থাপনায় ময়লার ভাগাড় ঢাকা’ শিরোনামে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্টে রিট করা হয়। রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট গত ১০ ফেব্রুয়ারি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আইন অনুসারে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন কি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সে সম্পর্কে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।
 
মহিদুল কবির বলেন, এটি একটি আংশিক প্রতিবেদন। দুই সিটির কোন প্রতিবেদনেই হাসপাতালের বর্জ্য ও গৃহবর্জ্য ব্যবস্থাপনা কিভাবে হবে সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।