কুষ্টিয়া জেলায় শ্রেষ্ঠ সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রি কলেজ

আপডেট : ২০ মে ২০১৬, ০০:৫০
কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রি কলেজ জেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ কলেজ নির্বাচিত হয়েছে।
কলেজটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠা করেন সাগরখালী গ্রামের মরহুম হাশেম আলী । প্রতিষ্ঠার পর থেকে কলেজটি অদ্যাবধি অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী ও দক্ষ পরিচালনা পর্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমে পরিচালিত হয়ে আসছে।
 
প্রতি বছর কুষ্টিয়া জেলার মধ্যে এইচ.এস.সি পরীক্ষায় ফলাফলের দিক থেকে প্রথম হয়ে আসছে। সে ধারাবাহিকতায় কলেজটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক মানদণ্ডে ২০১৬ সালে মিরপুর উপজেলায় ১ম স্থান অধিকার করে। সেই সঙ্গে ১৫ মে কুষ্টিয়া জেলা শিক্ষা অফিস কর্তৃক জেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। কলেজটি অত্র অঞ্চলের শিক্ষায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর বাতিঘর হিসাবে কাজ করছে।

সাগরখালী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম বলেন, দক্ষ পরিচালনা পর্ষদ, অভিজ্ঞ শিক্ষক মণ্ডলী ও এলাকার মানুষের অকুন্ঠ সহযোগিতায় আমরা এ ফলাফল করতে সক্ষম হয়েছি।

২০০৬ সাল থেকে মাঝে ১ বছর ছাড়া অদ্যবধি পর্যন্ত মফস্বলের এই কলেজটি বোর্ড পরীক্ষার ফলাফলে ধারাবাহিক ১ম স্থান ধরে রেখেছে। এর মধ্যে ২ বছর উপজেলার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের পাশাপাশি জেলার নামিদামি সব কলেজকে পেছনে ফেলে ১ম স্থান অধিকার করে। এরই ধারাবাহিকতায় কলেজটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক মানদণ্ডে ২০১৬ সালেও মিরপুর উপজেলায় ১ম স্থান অধিকার করে এবং ১৫ মে কুষ্টিয়া জেলা শিক্ষা অফিস কর্তৃক জেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করার অনন্য কৃতিত্ব দেখায়। মফস্বলের এই কলেজটি অত্র অঞ্চলের শিক্ষায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর বাতিঘর হিসাবে কাজ করছে। অত্র কলেজের অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম বলেন,দক্ষ পরিচালনা পর্ষদ, অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী ও এলাকার সব শ্রেনী পেশার মানুষের অকুন্ঠ সহযোগীতায় আমরা এ ফলাফল করতে সক্ষম হয়েছি। ভবিষ্যতে কলেজটির সাথে জড়িত ব্যাক্তিরা সহযোগীতা অব্যাহত রাখলে কলেজটি প্রকৃত মানুষ গড়ার অনন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তুলতে পারবে বলে তিনি দৃড় আশাবাদ ব্যাক্ত করেন। 

উল্লেখ্য ওই কলেজের ছাত্র সোহেল রানা ২০০৬ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচ এস সি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে রীতিমত কলেজটিকে উপজেলার মধ্যে আলোচনায় নিয়ে আসে। শুধু তাই নয় সোহেল রানা বুয়েটে ভর্তি হবার অসামান্য কৃতিত্ব দেখায়। পরবর্তীতে সোহেল কৃতিত্বের সাথে বুয়েটের পাঠ চুকিয়ে স্কলার নিয়ে জার্মানী গিয়ে উচ্চতর ডিগ্রী গ্রহন শেষে বর্তমানে দেশে ফিরে রংপুরে কর্মরত রয়েছেন। সোহেলের মতো এই কলেজের ২০০৮ সালের ছাত্রী মুনমুন রাণী পাল পাবনা মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করে চিকিৎসা পেশায় কর্মরত। ২০০৯ সালের ছাত্র মোঃ লিটন , ২০১০ সালের ছাত্র সাজ্জাদ হোসেন রুয়েট থেকে ও ২০১১ সালের ছাত্র  আব্দুল আওয়াল রাজু চুয়েট থেকে বিএসসি বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করে কর্মরত রয়েছেন। এছাড়াও ২০১৪ সালে পাশ করা মোঃ পলাশ বুয়েটে ও সর্বশেষ ২০১৫ সালে উপজেলায় জেনারেল শাখায় একমাত্র জিপিএ-৫ প্রাপ্ত এই কলেজ ছাত্র সবুজ রানা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির অসামান্য কৃতিত্ব দেখিয়ে বর্তমানে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে অধ্যায়নরত।