ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের(ইবি) বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব ড. সাইফুজ্জমানের উপর দুর্বৃত্তদের নৃশংস হামলার প্রতিবাদে ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় অনুষদ ভবনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র জানায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে হোমিও চিকিৎসক মীর সানাউর রহমান মোটরসাইকেলে ড. মো. সাইফুজ্জমানকে সঙ্গে নিয়ে কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার বটতৈল শিশির মাঠ এলাকায় নিজের দাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্র যাচ্ছিলেন। পথে তিন আরোহীসহ অন্য একটি মোটরসাইকেল এসে তাদের গতিরোধ করে। কোনো কথা না বলেই ঘাতকরা দুইজনকে ধারালো অস্ত্র (চাপাতি) দিয়ে উপর্যুপরি কোপাতে থাকে। এতে মীর সানাউর রহমান (৫৫) ও সাইফুজ্জমান গুরতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তাপস কুমার সরকার মীর সানাউরকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে অধ্যাপক সাইফুজ্জমানের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় এয়্যার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় অ্যাপালো হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষদ ভবনের সামনে সকাল ১১টায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রফেসর ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমানের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকার, প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মো. শাহিনুর রহমান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. অলী উল্যাহ ও বাংলা বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. গৌতম কুমার দাস প্রমুখ।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. জহুরুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের সভাপতি শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ড. সাইফুজ্জমান ছিলেন সাধারণ মানুষের জন্য নিবেদিত প্রান। মানুষের বিপদ আপদে পাশে দাঁড়ানোই ছিল তার পরম ধর্ম।
