যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে গোপসেনা বাজারে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় ৩০ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার রাতে এ ঘটনার সময় উভয় পক্ষের কর্মী-সমর্থকরা হামলা চালিয়ে একে অপরের নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করেছে। আহতদের মধ্যে আটজনকে কেশবপুর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
অপর দিকে পাঁজিয়া ইউনিয়নের গড়ভাঙ্গা বাজারে নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী আফিসে বোমা হামলা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ও দুটি বোমা উদ্ধার করে। অপর ঘটনায় গোপসেনা বাজারে সংঘর্ষে আবু কালাম, আবু সাইদ, আমানউল্যা, জুয়েল, রবিউল, নজরুল, ওজিয়ার ও আলি হোসেন আহত হয়ে কেশবপুর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মুস্তাফিজুর ইসলাম মুক্ত ও বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহাদাত হোসেনের পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি নির্বাচনী অফিস ভাঙচুরসহ মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
অপর দিকে পাজিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মুকুল বলেন, গড়ভাঙ্গা বাজারে তার নির্বাচনী আফিসে গভীর রাতে কে বা কারা বোমা হামলা চালিয়েছে।
থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থল থেকে বিস্ফোরিত বোমার আলামতসহ দুটি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। ওই রাতেই উপজেলার সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নে নির্বাচনী সহিংসতাসহ বিভিন্ন মামলায় ছয়জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার চিংড়া গ্রামের আমিনুল ইসলাম, ঝিকরা গ্রামের সাগর খান মনা, মঙ্গলকোট গ্রামের অমল চন্দ্র বিশ্বাস, বসুনতিয়া গ্রামের আবু সাইদ, মাদারডাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রউফ এবং কমলাপুর গ্রামের আবুল কাশেম।
থানার কর্তব্যরত উপ-পরিদর্শক শাজাহান আলি জানান, আটকদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী সহিংসতাসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে।
