কুমিল্লায় কলেজ ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার তদন্ত সংস্থা সিআইডির একটি দল বৃহস্পতিবার কুমিল্লা সেনানিবাসে গিয়ে ৩ সেনা সদস্যকে জিজ্ঞসাবাদ করেছে। তবে ৩ সেনা সদস্যের নাম প্রকাশ করেনি সিআইডি।
সিআইডি সূত্র জানায়, তনুর মরদেহ উদ্ধারের পর বিভিন্ন আলামত পুলিশের নিকট সরবরাহ করেছিলেন এমন ৩ সেনা সদস্যকে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেনানিবাসে যাওয়া দলটিতে ছিলেন কুমিল্লা সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রনব কুমার রায়, এএসপি জালাল উদ্দিন, মোজাম্মেল হক এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক গাজী মো: ইব্রাহিম। এ বিষয়ে রাত ১০টার দিকে সিআইডির এএসপি মোজাম্মেল হক জানান, ‘মামলার তদন্তের স্বার্থে আমরা ৩ সেনা সদস্যের বক্তব্য নিয়েছি, এর বেশী কিছু বলা যাবে না।’
গত ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে পাওয়ার হাউজের পাশের একটি জঙ্গলে তনুর মরদেহ পাওয়া যায়। ৩০ মার্চ কবর থেকে তনুর মরদেহ তুলে পূনরায় ময়নাতদন্ত করা হয়। প্রথম ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে তনুকে হত্যা ও ধর্ষণের আলামত খুঁজে পায়নি ফরেনসিক বিভাগ।
তবে পরে ডিএনএ রিপোর্টে তনুকে হত্যার আলামত পাওয়া গেছে মর্মে প্রতিবেদন আসায় এ নিয়ে ফরেনসিক বিভাগ ও সিআইডি মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। অপর দিকে ৫৭ দিনেও ফরেনসিক বিভাগ ২য় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি।
