পঞ্চম দফা ইউপি নির্বাচনে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দিয়ে জোরপূর্বক নৌকা প্রতীকে ভোট প্রদানসহ ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ এনে বিএনপি সমর্থিত তিন প্রার্থীসহ চার চেয়ারম্যান প্রার্থী শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার মধ্যে নির্বাচন বর্জন করেছেন।
তারা হলেন- মৌকরা ইউপির বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী কলিমুল্লাহ, ঢালুয়া ইউপির বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী নাসির উদ্দিন ভূঁইয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী জামাল হোসেন এবং সাতবাড়িয়া ইউপির বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জালাল উদ্দিন দুলাল।
ঢালুয়া ইউপির ধানের শীষ প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী নাসির উদ্দিন ভূঁইয়া সকাল ১০টায় শিহরস্থ তার নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জন করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন শুরু হওয়ার সাথে সাথে আমাদের এজেন্টদেরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্র থেকে তাড়িয়ে দেয় এবং সকাল আটটার মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে নিজেরাই সিল মেরে ভোট দেয়।
এদিকে ঢালুয়া ইউপির স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জামাল হোসেনও নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ এনে সকাল সাড়ে ১০টায় নির্বাচন বর্জন করার ঘোষণা দেন।
মৌকরা ইউপির বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী কলিমুল্লাহ সকাল ১১টায় মোড়েশ্বরস্থ তার নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, চাঁন্দগড়া, বিষ্ণপুর, গোমকোট কেন্দ্রে সকাল সাড়ে আটটায় এবং ময়ূরা, আলীয়ারা, মৌকরা, তিলিপ মাদ্রাসা, ফতেহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল নয়টার মধ্যে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর নেতাকর্মীরা ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্টদের বের করে দিয়ে নৌকা প্রতীকে প্রকাশ্যে সিল মেরে ভোট বাক্স ভর্তি করে।
সাতবাড়িয়া ইউপির বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী জালাল উদ্দিন দুলাল সকাল সাড়ে ১১টায় নাঙ্গলকোট প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর বহিরাগত সন্ত্রাসীরা আমার এজেন্টদের বের করে ইউপির প্রতিটি কেন্দ্র নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে।
