ফরিদপুরের সালথায় অনুষ্ঠিত পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুইস্থানে সংঘর্ষে দুই নারীসহ ২৫ জন আহত হয়েছে। এসময় পাঁচ পরিবারের বসতঘর ভাঙচুর করা হয়।
রবিবার রাত সাড়ে আটটায় উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের শৈলডুবী গ্রামে ও সোমবার সকালে একই ইউনিয়নের বাহিরদিয়া গ্রামে সংঘর্ষের এসব ঘটনা ঘটে।
শৈলডুবী গ্রামের হাসান মাতুব্বর জানান, শনিবারের ইউপি নির্বাচনে মেম্বার পদে শৈলডুবী গ্রামের মেম্বার প্রার্থী মোঃ ছানোয়ার হোসেন ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল মান্নান মোল্যা সমান সংখ্যক ভোট পান। এ নির্বাচনে মৃত ছত্তার সেকের ছেলে টুিটুল সেক ও অহিদ সেক দুই প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে। গতকাল রাতে দুই ভাইয়ের তর্কবিতর্কের জের ধরে আব্দুল মান্নান মোল্যার সমর্থক টিটুল সেক মোঃ ছানোয়ার হোসেনের সমর্থক অহিদ সেককে শাবল দিয়ে আঘাত করে। খবর পেয়ে উভয় পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে উভয় পক্ষের ১২ জন আহত হয়।
গুরুতর আহত অহিদ সেক, সাজাহান সেক,আলেয়া বেগম ও দোলেনা বেগমকে নগরকান্দা ও বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিপক্ষ কাদের মাতুব্বর, হালিম মোল্যা ও নবাব আলীর বসতঘর ভাংচুর করে।
অন্যদিকে বাহিরদিয়া গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে একই ইউনিয়নের বাহিরদিয়া গ্রামে মেম্বার পদে জয়-পরাজয় নিয়ে বিজয়ী মেম্বার মঞ্জু মোল্যা ও পরাজিত মেম্বার প্রার্থী লুত্ফর মোল্যার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে দুইপক্ষের ১৩ জন আহত হয়। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ সময় লুত্ফর মোল্যার সমর্থক হালিম মাতুব্বর ও ইছাহাক মোল্যার বাড়ী ভাংচুর করে প্রতিপক্ষ। খবর পেয়ে উভয়স্থানে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সালথা থানার ওসি ডিএম বেলায়েত হোসেন বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দুই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত। এসব ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি।
