কাটছে না চিনির বাজারে অস্থিরতা। যথেষ্ট মজুত সত্ত্বেও দাম বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটির। সোমবার রাজধানীর খুচরাবাজারগুলোতে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয় ৬০ থেকে ৬২ টাকায়। যা সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা বেশী। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিপনন সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) গত রবিবার থেকে সারাদেশে ৪৮ টাকা কেজি দরে দেশি চিনি বিক্রি শুরু করেছে কিন্তু তারপরও বাজারে কোনো ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে না।
সরকারে এ সংস্থাটির হিসেবে গত এক মাসে চিনির দর বেড়েছে ১৭ দশমিক ৩১ শতাংশ। আর এক বছরে বেড়েছে ৪৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ। পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে হঠাত্ করে চিনির দামের এ লাগামহীন বৃদ্ধিতে শংকিত ভোক্তারা।
কাওরানবাজারের চিনি ব্যবসায়ী কাশেম বলেন, ঠিক কি কারণে চিনির দাম বাড়ছে তা বলতে পারছি না। তবে চিনির সরবরাহ কম। এ কারণে দাম বাড়তে পারে।
মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী গোলাম মাওলা বলেন, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানোর জন্য সব সময় দায়ী করা হয়। কিন্তু এজন্য তারা দায়ী না। তিনি আমদানিকারক ও উত্পাদন পর্যায়ে পণ্যের দাম বেঁধে দিতে সরকারের প্রতি আহবান জানান। তাহলে কোন পর্যায়ে দাম বাড়ল তা সহজেই বোঝা যাবে।
পাইকারি চিনি ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি আনোয়ার হাবিব বলেন, সিটি ও মেঘনা গ্রুপের চিনির মিল বন্ধ থাকায় সরবরাহে একটু বিঘ্ন ঘটেছে। তবে এটা সাময়িক।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সিটি গ্রুপের চিনির মিলে গ্যাস সংযোগ লাইনের একটি যন্ত্র নষ্ট হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তবে দু’এক দিনের মধ্যেই তা ঠিক হয়ে যাবে। তখন চিনির দর কমে আসবে।
