তৈরি পোশাক খাতসহ সব ধরণের রফতানির উপর বিশাল হারে কর বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। বর্তমানে তৈরি পোশাক রফতানির ক্ষেত্রে রফতানি মূল্যের উপর শূন্য দশমিক ৬০ শতাংশ হারে কর দিতে হয়।
এটি এ খাতে উৎসে কর হিসেবে পরিচিত। কিন্তু পুরো রফতানি খাতের উৎসে কর দেড় গুণ বা ১৫০ শতাংশ বাড়িয়ে ১ দশমিক ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অবশ্য এ খাতের উদ্যোক্তাদের কিছুটা স্বস্তি দেয়ার লক্ষ্যে কর্পোরেট কর বিদ্যমান ৩৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে।
রফতানির কর বাড়ানোতে উদ্বিগ্ন রফতানিকারকরা। দেশের রফতানির ৮১ শতাংশই আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দীন ইত্তেফাককে বলেন, পোশাক খাতের কর বাড়ানোর প্রস্তাব কাম্য নয়। কেননা অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্সসহ এ খাত নানামুখী চাপ সামাল দিয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করছে। এর ফলে এ খাতের উদ্যোক্তাদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে যাবে বলেও আশঙ্কা তার।
অন্যদিকে কর্পোরেট করহার কমানোয় এ খাতের উদ্যোক্তাদের মধ্যে অল্প কয়েকজন উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে প্রকৃত অর্থে কোন টাকা বাড়বে না। কেবল প্রদর্শিত অর্থ বেশি দেখানোর সুযোগ হবে। সেটি বিনিয়োগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। তবে গার্মেন্টস খাতের উদ্যোক্তাদের দাবি ছিল ১০ শতাংশ করা। সেটিও শেষ পর্যন্ত ২০ শতাংশ নামায় প্রকৃত অর্থে বেশিরভাগ গার্মেন্টস মালিকের তেমন কোন উপকারে তা আসবে না।
