বয়স্ক বিধবা ও দুস্থ ভাতা বাড়ছে

আপডেট : ০৩ জুন ২০১৬, ১০:৪৪
২০১৬-১৭ অর্থ বছরের বাজেটে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় বিভিন্ন ভাতার হার বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। জাতীয় সংসদে বাজেট প্রস্তাবে বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে ৩১ লাখ ৫০ হাজারে এবং ভাতার হার ১শ টাকা বাড়িয়ে ৫শ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। 
 
সেইসঙ্গে বিধবা স্বামী নিগৃহীতা, দুস্থ মহিলা ভাতার হার ১শ টাকা বাড়িয়ে ৫শ টাকা এবং ভাতাভোগীদের সংখ্যা বাড়িয়ে সাড়ে ১১ লাখে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ভিজিডি কর্মসূচির উপকারভোগী দুস্থ মহিলার সংখ্যা আড়াই লাখ বাড়িয়ে ১০ লাখ, মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগীর সংখ্যা প্রায় ৯০ শতাংশ বাড়িয়ে ৫ লাখে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। 
 
দেশের সকল পৌরসভায় কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের মাধ্যমে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার ৩শ দরিদ্র মাকে এই ভাতার আওতায় আনা হবে। অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতার হার ১শ টাকা বাড়িয়ে ৬শ টাকায় এবং ভাতাভোগীর সংখ্যা ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে সাড়ে ৭ লাখে উন্নীত করা, নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্টের তহবিলে আরো ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদান, হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কার্যক্রমের অধীনে তাদের বিশেষ ভাতা ৫শ টাকা হতে বাড়িয়ে ৬শ টাকায় উন্নীত করা, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে তাদের ভাতা ৪শ টাকা হতে বাড়িয়ে ৫শ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। 
 
চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির বরাদ্দ ১০ কোটি টাকা হতে বাড়িয়ে ১৫ কোটি টাকায় উন্নীত করা, ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি বরাদ্দ ২০ কোটি টাকা হতে বাড়িয়ে ৩০ কোটি টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে প্রতিবন্ধীদের সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। তাদের সুবিধার জন্য যানবাহনে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। 
 
ইতিমধ্যে তাদের জন্য বেশ কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আসছে বাজেটে তাদের প্রতিবন্ধীদের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে মোট ১০০ কোটি টাকার থোক বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। এছাড়া যুদ্ধাহত ও খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণের ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণাটি অতি সত্বর দেয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।