অল্প কিছুদিনের জন্য মার্কিন নির্বাচনী জরিপে ডোনাল্ড ট্রাম্পের থেকে পিছিয়ে পরে অবশেষে আবারো এগিয়ে গেলেন হিলারি ক্লিনটন। যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে চালানো এই জরিপে ট্রাম্পের থেকে ১১ শতাংশ এগিয়ে আছে হিলারি।
শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও জরিপ সংস্থা ইপসোসের প্রকাশিত সর্বশেষ জরিপের ফলাফল প্রকাশের পাশাপাশি জানানো হয়, মে মাসে অল্প সময়ের জন্য হিলারিকে পেছনে ঠেলে দিয়ে জনমত জরিপে এগিয়ে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু ট্রাম্পের ঘোষিত নীতির বিরুদ্ধে হিলারির আক্রমণ শাণিত হওয়ার পরই জনসমর্থনে এই পরিবর্তন ঘটে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
এ ছাড়া ট্রাম্পের নিজ নামে তথাকথিত বিশ্ববিদ্যালয় ও সাবেক সেনাদের জন্য তোলা অর্থের বিতরণ নিয়ে সৃষ্ট সমালোচনাও ট্রাম্পকে পিছিয়ে দিয়েছে। জরিপে সম্ভাব্য ভোটারদের মধ্যে ৪৬ শতাংশ জানিয়েছেন তারা হিলারিকে সমর্থন করবেন, অপরদিকে ৩৫ শতাংশ ট্রাম্পকে সমর্থন করবেন বলে জানিয়েছেন। দুজনের কাউকেই সমর্থন করবেন না বলে জানিয়েছেন ১৯ শতাংশ ভোটার।
৩০ মে থেকে ৩ জুন পর্যন্ত ১,৪২১ জন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জরিপটি করা হয়।
মে মাসের মাঝামাঝি জনসমর্থনে হিলারিকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। এতে আসছে ৮ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দু্ই প্রার্থীর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারণা বাড়ছিল। কিন্তু পক্ষকাল ব্যবধানে জনসমর্থন ফের হিলারির দিকে ঝুঁকে পড়তে শুরু করেছে বলে জরিপে আভাস মিলেছে।
প্রতিদ্বন্দ্বীদের ছিটকে দিয়ে রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট প্রাথী হতে প্রয়োজনীয় ডেলিগেট সমর্থন ট্রাম্প এরই মধ্যে জয় করে নিয়েছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে রিপাবলিকান দল থেকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ঘোষণা করাই শুধু বাকি।
অপরদিকে ডেমক্রেট পার্টির মনোনয়ন দৌড়ে হিলারি অনেক এগিয়ে থাকলেও ভারমন্টের সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। দলটির সুপার ডেলিগেট সমর্থনে হিলারি অনেক এগিয়ে থাকলেও দুজনের মধ্যে সরাসরি ভোটে জয় করা ডেলিগেট ব্যবধান কম।
তবে আগামী মঙ্গলবার নিউ জার্সি ও ক্যালিফোর্নিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য প্রাইমারিতে এখনও পর্যন্ত ঝুলে থাকা বিষয়টির ফয়সালা হয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর অল্প কিছু ডেলিগেট ভোট জিতলেই হিলারির মনোনয়ন অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যাবে। রয়টার্স।
