সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্বশর্ত হলো সকলের অংশগ্রহণ

আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০১৮, ২১:০৬

সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্বশর্তই হলো সকলের অংশগ্রহণ। যেহেতু নির্বাচনে সকলেই অংশগ্রহণ করছে, অতএব, আশা করা যায় যে, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। এ ব্যাপারে টেলিফোন ও ই-মেইলে

প্রাপ্ত পাঠকের মতামত প্রকাশিত হলো

দেশ এখন নির্বাচনমুখী। এটা সত্যিই আনন্দ ও সুখের বিষয়। এজন্য সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্বশর্তই হচ্ছে সকলের অংশগ্রহণ। সকলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে ও ভোটকেন্দ্র পাহারা দিলে জালভোট দেওয়া বা কারচুপি করার কোনো অবকাশ থাকবে না।

মো. ইফতেখার জোমাইন লিখন

হাইমচর, চরভৈরবী, চাঁদপুর

আমাদের দেশে প্রথমবারের মতো দলীয় সরকারের অধীনে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এটা অবশ্যই ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক। তাই আমরা আশা করি যে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। তবে এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই রেফারির দায়িত্ব পালন করতে হবে যথাযথভাবে। নতুবা সুষ্ঠ,ু অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হবে না।

সুলতানা জামান

মানিকনগর, ঢাকা

এবার সকলের অংশগ্রহণ সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বাংলাদেশ একটি নবদিগন্তের সূচনা করবে। আমরা আশা করছি আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ তাদের বহুল প্রত্যাশিত ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পাবেন। নির্বাচন পরবর্তী ফলাফল যাই হবে তা জাতীয় স্বার্থে সকল দলকে মেনে নিতে হবে। এতে বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কৃতির উন্নয়ন হবে, দেশের ভাবমূর্তি বাড়বে এবং নাগরিক সুবিধা ও অধিকার নিশ্চিত হবে।

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনিসুর রহমান ফরাজী

টঙ্গী, গাজীপুর

সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্বশর্ত সকল দলের  অংশগ্রহণ-এ বিষয়টি সঠিক নয়। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। এখন পর্যন্ত সরকারি দলের এমপিরা পুলিশ বাহিনী নিয়ে ভোটের ক্যানভাস করে চলেছেন। অথচ বিরোধীদল মাঠে তেমন একটা নেই।

আব্দুস সাত্তার চৌধুরী

গ্রাম ও পো.- আপরা, রাজবাড়ী সদর, রাজবাড়ী

নির্বাচন কমিশন এখনো দেশব্যাপী আস্থা পুরোপুরি অর্জন করতে পারেনি। কোনো কোনো কমিশনারের বক্তব্যে দেশবাসী উদ্বিগ্নও বটে। তার পরও আশা করি, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য এবং অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এ কে এম শাহজাহান

শিবপুর, নরসিংদী

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে স্থায়ী রূপ দিতে হলে নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি নির্বাচনকালীন সরকারকে সহযোগিতা ও একটি নির্বাচনমুখী পরিবেশ তৈরি করার জন্য সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে ইসিকে সহযোগিতা করতে হবে। এরপর নির্বাচনের ফলাফল সকল দলকে মেনে নিতে হবে এবং দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

এস. কে. মো. রমিজউদ্দিন

আয়কর আইনজীবী, কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে রূপ দেয়া ও স্থায়ীকরণের জন্য সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্বশর্ত হলো সকলের অংশগ্রহণ। যেহেতু সব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে, সেহেতু নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে আমরা মনে করছি। এ বিষয়ে ইসিকে সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে ফলাফলের শেষ পর্যন্ত।

চয়ন

কুতুবখালি, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা

দেশের সব মানুষের চোখ এখন আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে। সবাই এখন অপেক্ষা করছে আগামী সংসদ নির্বাচনের পর কারা সরকার গঠন করছেন। সে লক্ষ্যে সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্বশর্তই হচ্ছে সকলের অংশগ্রহণ।

সুগন্ধী আক্তার

যাত্রাবাড়ী, ঢাকা

বাংলায় একটি প্রবাদ আছে- দশের লাঠি একের বোঝা। সুতরাং সবদলের অংশগ্রহণে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এজন্য নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে।

মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)

ঝিনাইদহ

আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা সবাই মিলে নির্বাচন করবো, জনগণ যাকে চাইবে তাকেই ভোট দেবে। সে ব্যবস্থাই আমরা করব। সুতরাং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সকল দলের অংশগ্রহণই হচ্ছে একমাত্র পথ।

মো. আরিফুর রহমান

দেলপাড়া, নারায়ণগঞ্জ

নির্বাচন যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং অংশগ্রহণমূলক হচ্ছে সে বিষয়ে কারোরই কোনো সন্দেহ থাকার এখন আর কারণ নেই। যেহেতু এবার আসন্ন নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণই বলে দিচ্ছে নির্বাচন সুষ্ঠু অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে।

সালমা আফরোজ

ফার্মগেট, ঢাকা

যেহেতু সকল দল অংশগ্রহণ করছে, সেহেতু সুষ্ঠু নির্বাচন হবে এটা ধরেই নেয়া যায়। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হলে ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনকে সঠিকভাবে তার দায়িত্ব পালন করে যেতে হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যম ও পর্যবেক্ষকসহ সচেতন নাগরিকদের ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণা নিয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

ইঞ্জিনিয়ার সামসুল হক

অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, গণপূর্ত অধিদপ্তর, ঢাকা

সুষ্ঠু নির্বাচন ও সকল দলের অংশগ্রহণ অপরিহার্য বিষয়। একই সঙ্গে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিতে হবে।

মো. মাযাহারুল ইসলাম

চেয়ারম্যান, ইডাফ, মতিঝিল, ঢাকা

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাঠ চাষ বেড়াচ্ছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। আমরা আশা করি, এবার নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

মো. হানিফ মিয়া

মনেশ্বর লেন, হাজারীবাগ, ঢাকা

একদিকে দেখা যাচ্ছে শীতের আগমন। অন্যদিকে আসছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সকল দলের অংশগ্রহণে এ যেন উত্সব আমেজের এক ব্যাপক মহড়া চলছে।

মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহীদউল্লাহ

স্টেডিয়াম সড়ক, সদর, ফেনী

সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান করা সম্ভব। এজন্য নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন, শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

হোসনে আরা করিম, নীলা

‘নারীর কথা’, হাজারীবাগ, ঢাকা

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ‘ইসি’কে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে হবে।

রিফাত

শান্ত মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরা, ঢাকা।

গণতন্ত্রকে স্থিতিশীল রাখতে সুষ্ঠু নির্বাচনের বিকল্প নেই। আর এই সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সকল দলের অংশগ্রহণ আবশ্যক। সব দল যদি নির্বাচনে না আসে তাহলে কী করে বলা যাবে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে?

হাফিজুর রহমান

ভৈরব বাজার, কিশোরগঞ্জ

আমি আশা করি সকলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশনারগণ নিরপেক্ষ, অতএব এ ব্যাপারে কোনো আশঙ্কা নেই।

ডা. গোপালচন্দ্র পাল

আতাইকোলা, রঘুনাথপুর, পাবনা

নির্বাচনে সব দল অংশগ্রহণ করলেও শেষ পর্যন্ত তারা কারচুপির অভিযোগ করবে না এর নিশ্চয়তা নেই। কারণ যে সব দল অংশগ্রহণ করছে তারা সবাই প্রচার করে বেড়াচ্ছে যে তারা ক্ষমতায় যাবে। অথচ অতীত অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে আমাদের দেশে সত্যিকারার্থে তিনটি বা চারটি রাজনৈতিক দল পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব করেছে। এ কারণে নির্বাচনের পর আমার ধারণা পরাজয় মেনে নিতে অক্ষম হয়ে তারা কারচুপির অভিযোগ আনবেন। তবে তাদের এই অভিযোগ ভিত্তি পাবে না।

মাখরাজ খান

সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ

জাতীয় সংসদ নির্বাচন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করে। নির্বাচনকালীন সময়ে নারী ভোটারগণ যাতে নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন সেজন্য ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা এবং বুথের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে।

পারভীন সুলতানা বিউটি

রামচন্দ্রপুর, ঝিনাইদহ

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবদলের অংশগ্রহণ অবশ্যই জরুরি। নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর তাদের ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে হবে। তবে আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ‘না’ ভোট প্রয়োগের বিধানও রাখতে হবে।

ফারুক আলম

মালিবাগ, ঢাকা

সকল দলের অংশগ্রহণের জন্য সমান সুযোগ তৈরি করতে হবে। আশা করি, আসন্ন নির্বাচন বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে একটি মডেল হিসেবে পরিগণিত হবে।

মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন সেলিম

পূর্ব শেওড়াপাড়া, ইব্রাহিমপুর (পাকার মাথা), ঢাকা

প্রকৃতপক্ষে দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রয়োজন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, দেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রের মৌল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহের স্বাধীনতা। সে লক্ষ্যে দরকার  সকলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন।

দীনবন্ধু পবিত্র

ধানমন্ডি, ঢাকা

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হলে নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণভাবে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নির্বাচনের ফলাফল সবাইকে সানন্দে মেনে নিতে হবে এবং উন্নয়নমূলক কাজকে সকলের এগিয়ে নিতে হবে।

জাহাঙ্গীর হোসাইন

পীরেরবাগ

সব দল যখন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে, তখন নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। এ ব্যাপারে সাধারণ মানুষের মনে আশার সঞ্চার করেছে। আমরা প্রত্যাশা করি, ইসি এখন সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।

ডা. মোহাম্মদ জামিন রহমান

গোপালপুর, টাঙ্গাইল

আমাদের প্রত্যাশা, রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনী ফলাফল তথা জয়-পরাজয় খুব সহজেই মেনে নিবে এবং জয়ী দলকে যথাসম্ভব দ্রুত স্বাগত জানাবে। এতে আমাদের রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্ির্ত উজ্জ্বল হবে এবং সারা বিশ্ব বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানাবে।

শিশির

পিলখানা , ঢাকা

দেশে বহুদিন পর একটি সুন্দর নির্বাচনী পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। শেষপর্যন্ত আমাদের এই পরিবেশ ধরে রাখতে হবে।

আইরিন সুলতানা সনজু

ধুপপুল, মাইজপাড়া , চট্টগ্রাম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে জোটভুক্ত হয়ে প্রায় সব দলই মূলত অবস্থান নিয়েছে দুই মেরুতে। এতে এই নির্বাচনকে ঘিরে অংশগ্রহণমূলক একটি নির্বাচনের পথ সুগম হয়েছে। আমরা আশা করছি, শেষ পর্যন্ত সব দলই সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সার্থক করবেন।

মো. রবিউল হোসেন রবি

চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা, মতিঝিল, ঢাকা

আমরা সবদিক থেকে একটি সুষ্ঠু ও উত্সবমুখর নির্বাচনী পরিবেশের প্রত্যাশা করছি।

রাসেল আহমেদ

মুগদা, ঢাকা