ভালুকায় এবার কাঁঠালের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু বাম্পার ফলন হলেও নেই প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধা। ফলে কাঁঠাল স্টোরেজ সুবিধা না থাকায় এর আবাদ নিয়ে নিরুত্সাহিত হচ্ছে এ এলাকার কৃষকরা। চলতি বছর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ লাখ কাঁঠাল গাছে প্রায় এক কোটি কাঁঠালের ফলন হয়েছে বলে স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্র জানিয়েছে। মৌসুমের শুরুতে বাজারদর ভালো হলেও কিছুদিনের মধ্যেই দরপতন ঘটে। দেশজুড়ে ভালুকাসহ বৃহত্তর ময়মনসিংহে কাঁঠালের সুখ্যাতি রয়েছে। এখানকার কাঁঠালের কদরও দেশজুড়ে। কথিত আছে দেশের বাইরেও রপ্তানি হয় এখানকার কাঁঠাল। বন্যার ঝুঁকি না থাকা এবং মাটির উর্বরতার কারণে এখানকার কাঁঠালের স্বাদও ভিন্ন। ভালুকায় দু’ধরনের কাঁঠালের আবাদ হয়। এর মধ্যে খাজা(শক্ত প্রকৃতির) ও ডালা(নরম প্রকৃতির) প্রজাতি। এদিকে সরকারি বা বেসরকারিভাবে কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাতকরণ ও স্টোরেজ সুবিধা না থাকায় বাম্পার ফলনের সবটুকু সুফল ঘরে তুলতে পারে না কৃষক। তাই কাঁঠালের প্রসেসিং সেন্টারের দাবি কৃষকদের দীর্ঘদিনের। কৃষকদের এ দাবি পূরণের কোনো উদ্যোগ নেই সরকারিভাবে। ফলে ফলনের সবটুকু সুবিধা পান না তারা। যে কারণে ব্যক্তি উদ্যোগে কাঁঠালের বাগান গড়ে উঠছে না।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. সাইফুল আজম খান জানান, ভালুকায় ব্যক্তি উদ্যোগে আবাদ হওয়া প্রায় পাঁচ লাখ কাঁঠাল গাছে এ বছর এক কোটি কাঁঠালের ফলন হয়েছে। ফলন এবং বাজারমূল্যে কৃষকরা খুশি।
