সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবসকে জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি প্রদানের আহ্বান

আপডেট : ১৯ মার্চ ২০১৯, ২৩:৫৫

ঊনিশ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবসকে জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি প্রদান ও প্রতিরোধ যুদ্ধে শহীদ পরিবারের সদস্যদের পুনর্বাসন করার আহবান জানানো হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ১৯ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে জনতার অংশগ্রহণ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এ আহবান জানানো হয়েছে। কমিটির আহবায়ক আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন আহমদ, শামসুননাহার ভুঁইয়া এমপি, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান প্রমুখ। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের সভাপতি লায়ন গণি মিয়া বাবুল। বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে জয়দেবপুরের সংগ্রামী জনতা পাক-হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ শুরু করেছিলেন। দিবসটি জাতীয়ভাবে উদযাপন করতে হবে।

এদিকে গাজীপুর প্রতিনিধি জানান, যথাযোগ্য মর্যাদায় গাজীপুরে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধের ৪৮তম বার্ষিকী পালিত হয়েছে। সকালে জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর ও মুক্তিযোদ্ধাগণ শহীদ হুরমতসহ শহীদদের কবর জিয়ারত ও সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে ১৯ মার্চের স্মরণে তৈরি করা অনুপ্রেরণা ভাস্কর্যে পুষপস্তবক অর্পণ করেন। পরে শহীদ হুরমতের কবর প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা হয়।  এতে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর আব্দুল বারী, শহীদ হুরমতের কন্যা হালিমা খাতুন প্রমুখ। সন্ধ্যায় গাজীপুর রাজবাড়ি মাঠে ১৯ মার্চের বীরদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক।