কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের ঘিলাকান্দি গ্রামের গৃহবধূ তাহমিনা বেগম (৪৫) নিজ হাতে ৮ বছর আগে রোপণ করেছিলেন কাঞ্চনপুরী জাতের দুটি নারকেল গাছ। নিবিড় যত্ন ও পরিচর্যার ফলে ৫ বছর যেতে না যেতেই প্রচলিত দেশি জাতের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি ফলন পেতে শুরু করেন। গত ৩ বছর ধরেই গাছ দুটিতে গড়ে ৬শ’-৭শ’টি নারিকেল ধরেছে। কম বয়সী ছোট আকারের গাছে সাধারণত এমন ভাবে ফলন আসে না বলে জানায় স্থানীয়রা। ফলে নারিকেল চাষে তাহমিনার সাফল্য সবার দৃষ্টি কেড়েছে।
নারিকেলের এমন ফলনের ব্যাপারে তথ্য জানতে এ প্রতিবেদক তাহমিনার স্বামী হাজী মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমার স্ত্রীর বৃক্ষ রোপণ ও পরিচর্যায় ভালো আগ্রহ রয়েছে। সে ২০০৭ সালে কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হতে কাঞ্চনপুরী জাতের দুটি নারিকেলের চারা এনে রোপণ করে। পারিবারিক চাহিদা মিটিয়ে এই দুটো গাছের নারিকেল বিক্রয় করে বাড়তি আয়ও হচ্ছে।
