নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডেন বলেছেন, তিনি কখনো মসজিদে হামলাকারী সন্ত্রাসীর নাম মুখে আনবেন না। তাকে আদালতে ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়ারও সুযোগ দেওয়া হবে না। গতকাল মঙ্গলবার সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্টের এক বিশেষ অধিবেশনে আসসালামু আলাইকুম বলে ভাষণ শুরু করেন। গতকাল পুলিশ ছয়জনের মরদেহ হস্তান্তর করেছে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, নিউজিল্যান্ড হামলায় আমাকে দোষী সাব্যস্ত করতে মিডিয়া উঠেপড়ে লেগেছে। খবর আল-জাজিরা ও বিবিসি’র
প্রধানমন্ত্রী আর্ডেন বলেন, হামলাকারী সন্ত্রাসীর বর্ণবাদী মন্তব্য প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সবকিছু তিনি করবেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি পুরোপুরি সম্মত এবং আমাদের স্বীকার করতে হবে যে, এক ব্যক্তি খারাপ যা কিছু করতে চায় তা প্রতিরোধ করতে হবে। উল্লেখ্য, সন্ত্রাসী ব্রেন্টন টারান্ট তার আইনজীবীকে বরখাস্ত করেছে। সে নিজেই আদালতে বক্তব্য দেবে। আইনজীবী সতর্ক করেছেন, টারান্ট হামলাকে বৈধতা দিতে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিতে পারে। এরপরই এ বিষয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তবে গোপন না প্রকাশ্যে বিচার হবে সেই বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান প্রধানমন্ত্রী আর্ডেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে ওই সন্ত্রাসীর নাম কখনো মুখে আনবো না। এরপর প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্টের এক বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দেন। শুরুতেই তিনি আসসালামু আলাইকুম (তোমার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) বলে শুরু করেন।
নিউজিল্যান্ডের পুলিশ জানিয়েছে, ছয়জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আরো ছয়জনের মরদেহ হস্তান্তরের অপেক্ষায় আছে। তাদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। মরদেহ হস্তান্তরে দেরি হওয়ায় স্বজনরা হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সোমবার টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, নিউজিল্যান্ডের ভয়াবহ হামলার জন্য আমাকে দোষারোপ করতে ফেক নিউজ মিডিয়া ওভারটাইম করছে। এটি প্রমাণে তাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। খুবই অদ্ভূত!
