জোয়ারে প্লাবিত সেন্টমার্টিন

আপডেট : ১২ জুন ২০১৬, ০০:৪৯
বঙ্গোপসাগরের সৃষ্ট লঘুচাপ ও টানা বর্ষণের ফলে গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। তাছাড়া সের্ন্টমাটিনে দুইদিনে জোয়ারের চাপে শতাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়েছে এবং তাদের খাবারের সঙ্কট দেখা দিয়েছে।
 
গত ৯ জুন থেকে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি লঘুচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল হয়ে পড়ায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে যাত্রী ও মালামাল পারাপার, ইঞ্জিনচালিত নৌকা পর্যটকবাহী জাহাজসহ সবধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি নিম্নচাপে পরিণত হওয়ায় উপকূলীয় এলাকাকে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। শুক্রবার সকালের দিকে টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালীয়ার ঘাটে গিয়ে ভিড় করতে দেখা গেছে অনেক লোককে। তারা এতদিন সেন্টমার্টিন যেতে না পেরে অবস্থান করছেন আত্মীয়-স্বজনদের বাড়ি ও টেকনাফের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে।
 
সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নূর আহমেদ বলেন, টেকনাফ-সের্ন্টমাটিন রুটে নৌচলাচল বন্ধ থাকায় আমি টেকনাফে আটকা পড়েছি। পাশাপাশি দ্বীপে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। নৌ-চলাচল বন্ধ থাকায় তরিতরকারি, চাল, জ্বালানি তেলসহ সকল প্রকার জিনিসপত্রে এখন সঙ্কট রয়েছে। তিনি বলেন, জিনিসপত্র বাড়তি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে বলে আমি শুনেছি আমরা সবাই চেষ্টা করছি বিশেষ ব্যবস্থায় সের্ন্টমাটিন নিত্যপ্রয়োজনী জিনিসপত্র পৌঁছানো যায় কিনা।
 
সের্ন্টমাটিন থেকে মুঠোফোনে নূর মোহমেদ নামে সেন্টমার্টিন-টেকনাফ রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লেও চিকিত্সার জন্য টেকনাফে নেওয়া যাচ্ছে না। দ্বীপের প্রায় শতাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শফিউল আলম জানান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া কেটে গেলে সেন্টমার্টিনে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের ট্রলার চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।