যশোরের চৌগাছা উপজেলার ১১ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী ৫৫ প্রার্থীর মধ্যে ২৬ চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১১ ইউনিয়নে বিভিন্ন দলের ও বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ৫৫ প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এদের মধ্যে ২৬ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। পাশাপোল ইউনিয়নে বিভিন্ন দলের আট প্রার্থীর মধ্যে ছয়জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। দলগতভাবে সবচেয়ে বেশি ইউপিতে জামানত হারিয়েছে বিএনপি ও ইসলামি আন্দোলন প্রার্থীরা। উপজেলার বিএনপি ১০ ইউপিতে প্রার্থী দিয়ে ছয়টিতে এবং ইসলামি আন্দোলন ছয়টিতে প্রার্থী দিয়ে ছয়টিতেই জামানত হারিয়েছে।
অন্যদিকে জাতীয় পার্টি একটিতে প্রার্থী দিয়ে সেটিতে জামানত হারিয়েছে। তিনি ওই ইউপিতে বর্তমান চেয়ারম্যান ছিলেন।
যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তারা হলেন, পাশাপোল ইউপিতে বিএনপির মোস্তফা রুহুল কুদ্দুস, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী অবাইদুল ইসলাম সবুজ, ওয়াজেদ আলী, বর্তমান চেয়ারম্যান শাহীন রহমান ও সবুজ হোসেন এবং ইসলামি আন্দোলনের জাকির হোসেন। সিংহঝুলী ইউপিতে বিএনপির আবু বক্কর সিদ্দিক, ইসলামি আন্দোলনের মীর মোশাররোফ হোসেন ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী এবি সিদ্দিক মন্টু।
ধুলিয়ানী ইউনিয়নে বিএনপির মাজেদা ইসলাম, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ফারুক আহাম্মেদ কবীর, আসলাম উদ্দিন ও কামরুজ্জামান। চৌগাছা সদর ইউপিতে ইসলামি আন্দোলনের গোলাম মোস্তফা। জগদীশপুরে বিএনপির জিহাদ আলী ও বিএনপির বিদ্রোহী অধ্যক্ষ মাও. রবিউল ইসলাম । পাতিবিলায় ইসলামি আন্দোলনের রওশন আলী।
হাকিমপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী রফিকুল ইসলাম। স্বরুপদ হাতে জাতীয় পার্টির বর্তমান চেয়ারম্যান নুরুল কদর ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মুনতাজ আলী। নারায়নপুরে বিএনপির মজনুর রহমান ও ইসলামি আন্দোলনের মহিদুল ইসলাম। এবং সুখপুকুরিয়া ইউপিতে বিএনপির এসএম মিলন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী নুরুল ইসলাম ও সোলাইমান হোসেন এবং ইসলামি আন্দোলনের আমীর হোসেন ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
