মানবেন্দ্র চক্রবর্ত্তী
সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা
আলতাফ স্যার একজন সত্ ও মেধাবী শিক্ষক। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় কলামসহ উপন্যাস লেখেন। তার স্ত্রী লেখালেখি পছন্দ করেন না। বিবাহিত জীবনে আশা ও আভা দুই সন্তান নিয়ে ভাড়া বাসায় তার পরিবারে অভাব-অনটন বিদ্যমান থাকায় একদিন ঝগড়া করে তার স্ত্রী নাজমা সন্তানদের নিয়ে বাসা ছেড়ে চলে যায় তাকে একা ফেলে। এর আগে ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে মৌ নামের ভার্সিটি পড়ুয়া এক মেধাবী ছাত্রী স্যারের ভক্ত হয়ে যায়। স্যারের অসাধারণ লেখার জন্য হূদয়ের টানে একদিন মৌ স্যারের বাসায় চলে আসে। স্যারের শূন্য জীবনকে ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণা দিয়ে আরো বিখ্যাত করে তোলে। এক সময় বাসা ভাড়া দিতে পারতো না যে স্যার, মৌ পাশে থেকে তার জীবনকে করেছে সার্থক ও সুন্দর। কিন্তু মানুষের জীবন টুকরো টুকরো আনন্দ বেদনা কিংবা সুখ-দুঃখ দিয়ে গড়া চলমান বাস্তব চিত্র। মানুষ যখন সব কিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায় তখন বেঁচে থাকে শুধু স্মৃতিটুকু। স্মৃতি কখনো মানুষকে ক্ষণিকের তরে হলেও আনন্দে উদ্বেলিত করে। আবার কখনো অশ্রুসজল করে তোলে। এমনই গল্পের এই নাটকে অভিনয় করেন মো. আলতাফ হোসেন, রূপন্তী ও ঝিনুক ইসলাম। এছাড়াও অভিনয় করেন সিঙ্গাইর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আক্রাম হোসাইন, সিংগাইর পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আতাউর রহমার, মো. বাদল হোসাইন, শেখ ইস্রাফিল, জিয়াউল হাসান শাহীন, শিশুশিল্পী আশা ও আভা।
