বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
মিরাজুল ইসলাম, প্রভাষক
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ
আমাদের মুক্তিযুদ্ধ
প্রশ্ন-২১: মুক্তিযুদ্ধের প্রধান কৌশল কী ছিল?
উত্তর: গেরিলা আক্রমণ ও সম্মুখ যুদ্ধ ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রধান কৌশল।
প্রশ্ন-২২: মুক্তিযুদ্ধের সময় সাধারণ মানুষের ভূমিকা কী ছিল?
উত্তর: সাধারণ মানুষ খাদ্য, বস্ত্র, আশ্রয়, তথ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সাহায্য দিয়ে মুক্তিবাহিনীকে লড়াই চালিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
প্রশ্ন-২৩: মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল কেন?
উত্তর: মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
প্রশ্ন-২৪: পাকিস্তানি বাহিনীর মূল লক্ষ্য কী ছিল?
উত্তর: পাকিস্তানি বাহিনীর মূল লক্ষ্য ছিল চূড়ান্ত নিষ্ঠুরতার মাধ্যমে বাঙালিদের দমন করা।
প্রশ্ন-২৫: বীরশ্রেষ্ঠ কী?
উত্তর: মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ব ও সাহসিকতার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় উপাধি হচ্ছে বীরশ্রেষ্ঠ।
প্রশ্ন-২৬: মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য রাষ্ট্রকর্তৃক কী কী উপাধি দেয়া হয়?
উত্তর: মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য রাষ্ট্র কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধাদের চারটি বীরত্বসূচক উপাধি প্রদান করা হয়। যেমন-বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক।
প্রশ্ন-২৭: শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয় কবে?
উত্তর: প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়।
প্রশ্ন-২৮: বুদ্ধিজীবী কারা?
উত্তর: যারা উচ্চশিক্ষিত, জ্ঞানী-গুণী, মুক্তবুদ্ধিসম্পন্ন এবং যাদের কর্ম ও মেধা দিয়ে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে বিশেষ অবদান রাখেন তারাই বুদ্ধিজীবী।
প্রশ্ন-২৯: বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয় কেন?
উত্তর: দেশকে মেধাশূন্য করে বাঙালি জাতির স্বাধীন সত্তা ও অগ্রগতিকে ব্যাহত করার জন্য বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়।
প্রশ্ন-৩০: মুক্তিযুদ্ধে শহিদ কয়েকজন বুদ্ধিজীবীর নাম লিখ।
উত্তর: মুক্তিযুদ্ধে শহিদ কয়েকজন বুদ্ধিজীবীর নাম হচ্ছে- অধ্যাপক গোবিন্দচন্দ্র দেব, অধ্যাপক মুনীর চীেধুরী, ডাঃ আলিম চৌধুরী, অধ্যাপক জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, অধ্যাপক রাশীদুল হাসান, ডাঃ আজাহারুল হক ও সাংবাদিক সেলিনা পারভীন প্রমূখ।
